সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
সারাদেশ

দেবর ভাবির পরকীয়ার বলি প্রবাস ফেরত স্বামী, স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ভাবির সাথে পরকীয়ার সম্পর্কের বলি হয়েছে প্রবাস ফেরত স্বামী মোঃ উজ্জল মিয়া (৩০)। আর এ হত্যা মামলায় ছোট ভাই ও নিহতের স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহত উজ্জল মিয়া (৩০) উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের উত্তর কাংশা গ্রামের মোঃ রোকমান মোল্লার ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মো.বশির আহমেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

এর আগে বুধবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের উত্তর কাংশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে সিংগাইর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের উত্তর কাংশা গ্রামের রোকমান মোল্লার ছেলে ও নিহতের আপন ছোট ভাই ঝন্টু মিয়া (২৪) ও নিহতের স্ত্রী মোসাম্মৎ কাঞ্চন আক্তার মনিরা (২৩) এবং প্রতিবেশি পাশা বিশ্বাসের ছেলে মাসুদ মিয়া (২২)।

পুলিশ জানান, আসামী ছোট ভাই ঝন্টু ও নিহত বড় ভাই উজ্জল মিয়া উভয়েই সিংগাপুর প্রবাসে থাকাকালে আসামী ঝন্টু মোবাইল ফোনে তার ভাবী কাঞ্চন ওরফে মনিরার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে ঝন্টু তার ভাইকে সিংগাপুরে রেখে বাড়ীতে এসে ভাবী সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকে। ঘটনার ৯ দিন পূর্বে উজ্জল বাড়ীতে আসলে ঝন্টু ও মনিরার অবৈধ সম্পর্কে বিঘ্ন ঘটে। এরপর আসামিরা পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার দিকে স্ত্রী মনিরা স্বামী উজ্জলকে কফির সাথে ঘুমের ওষধ খাওয়ায়ে অচেতন করে। এরপর গলায় গামছা পেঁচিয়ে স্ত্রী মনিরার সহযোগীতায় ছোট ভাই ঝন্টু মিয়া ও প্রতিবেশি ছেলে মাসুদ মিয়া উজ্জল মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুমের জন্য বাড়ির অদূরে ধলেশ্বরী নদীতে নিয়ে যায় এবং প্লাস্টিকের ড্রামের সাথে বেঁধে নদীর পানিতে ডুবিয়ে দেয়। এর ১৮দিন পর ৩০ অক্টোবর ধলেশ্বরী নদী থেকে উজ্জলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। পরে এঘটনায় নিহতের বাবা রোকমান মোল্লা বাদি হয়ে সিংগাইর থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশ সুপার মো.বশির আহমেদ জানান, দেবর-ভাবির পরকীয়ার সম্পর্কে স্বামী উজ্জল মিয়া বাঁধা হয়ে দাড়ায়। তাদের পরকীয়ার সম্পর্ক ধরে রাখতে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ