রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ট্রাম্পের সফরে সিএনএনকে বাদ দিল হোয়াইট হাউস আন্তর্জাতিক জিসিএসই পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে ১শ'র বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিল OxfordAQA যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা কিউআর বিষয়ক “গভর্নরের সাথে মতবিনিময়” সভা অনুষ্ঠিত যে আমলে খুব বেশি রিজিক বাড়ে তা কল্পনাও করতে পারবেন না মিরপুরের বড়বাগে আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র লুটপাটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - দায়িত্বে অবহেলা বা ফ্যাসিবাদীদের সহায়তা করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বিস্ফোরণ, নোয়াখালী শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু
advertisement
সারাদেশ

ল্যাম্পিং স্ক্রিন রোগে আক্রান্ত গরু-ছাগল, দুশ্চিন্তায় খামারিরা

তিমির বনিক, ষ্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে গবাদিপশুর ল্যাম্পিং স্কিন ডিজিজ (পক্স বা বসন্ত) রোগ। গত দুই সপ্তাহ যাবত পুরো উপজেলায় এ ভাইরাসে শতাধিক গরু আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত হচ্ছে ছাগলও। রোগের ভ্যাকসিন ও সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে খামারি ও পশুর মালিকেরা পড়েছেন বিপাকে। দুশ্চিন্তায় ভোগছেন খামারিরা।

ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মালিকেরা জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে গরুর ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এ ভাইরাসে গবাদি পশু অনেক দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া মুখ দিয়ে লালা বের হয়, বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষত সৃষ্টি হয় ও সারা শরিলে গুটি গুটি বের হয়। আক্রান্তের হার বেশি হওয়ায় খামারি ও পশুর মালিকেরা আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, গত ২০ দিনে এই উপজেলায় ১২০টির মতো গরু ল্যাম্পিং স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসায় ৭০টি গরু সুস্থ হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশে এ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় প্রতি বছর এ সময়ে এই ভাইরাসটি বৃদ্ধি পায়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আক্রান্ত পশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলার পৌর এলাকা, পতনঊষার, রহিমপুর, শমশেরনগর, মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বেশিরভাগ খামারি ও কৃষকের গরু আক্রান্ত হয়েছে ল্যাম্পিং স্কিন ডিজিজ রোগে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কয়েকটি গরু ইতিমধ্যে মারাও গেছে। একটি গরু আক্রান্ত হওয়ার তিন থেকে ৪ সপ্তাহ লাগে স্স্থু হতে। সঠিক ও দ্রুততম সময়ে চিকিৎসার অভাবে ভাইরাসটি ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে।

পতনঊষার ইউনিয়নের গরুর মালিক আকলুছ মিয়া, হুসাইন আহমদ বলেন, হঠাৎ করে আমাদের গরু দুর্বল হয়ে পড়ে। একই সাথে সারা শরীরে গুটি গুটি বের হয়। খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দেয়। একটা সময় মনে হয়েছে গরু গুলো মারা যাবে। এখন ঔষধ ব্যবহার করছি।

কমলগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রানা লাল রায় বলেন, বর্ষা মৌসুম আসলে মশা, মাছি ও পোকা থেকে গবাদিপশুর ল্যাম্পিং স্কিন ডিজিজ এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আমরাও চিকিৎসা দিচ্ছি গ্রামে গঞ্জে গিয়ে। আমরা যথেষ্ট রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি প্রতিটি প্রানীর সুস্থতাই পারে আমাদের কাজ করার লক্ষ্যপূরন।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ