বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
advertisement
সারাদেশ

মুজিব বাহিনীর ৪ সেক্টর প্রধান ও বঙ্গবন্ধুর ৪ খলিফাদেরকে জাতীয় বীর ঘোষণার দাবী…..এম এ জলিল

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসুর ভিপি ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা আ স ম আব্দুর রব বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা শাজাহান সিরাজ ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু উপস্থিতিতে পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলাদেশের ইশতেহার পাঠ করেন। ইশতেহার পাঠ ও পতাকা উত্তোলনের দিবস দুইটি পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও জাসদ শাজাহান সিরাজ যৌথভাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ৩ মার্চ ২০২৩ বিকাল ৪ ঘটিকায় মতিঝিল ওয়াকফ এস্টেট মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল।আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, জাসদ শাজাহান সিরাজের সহ সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ও সহ সভাপতি এম এ জব্বার,কনজারভেটি পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান দেশ. বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ স ম মোস্তফা কামাল, জাতীয়গণতান্ত্রিক লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ। আলোচনা সভায় অংশ নিয়া কাজী মাসুদ আহমেদ বলেন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যারা বাঙালিদেরকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল ৭০ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করেছিল এবং ৭১ সনে মুজিব নগর সরকারের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তারা হলেন মুজিব বাহিনীর ৪ সেক্টর প্রধান শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধু ৪ খলিফা ও মুজিব বাহিনীর সাব সেক্টর কমান্ডার নূরে আলম সিদ্দীকি, শাজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রব ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন। উল্লেখিত ৮জন কে জাতীয় বীর ঘোষণার দাবী জানান। আলোচনা সভায় আরো মাসুদ সাহেব বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনেনেত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

সভাপতির ভাষনে এম এ জলিল বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুজিব নগর সরকারের তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ছিল বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক আইনের শাসনের বাংলাদেশ। কিন্তু ৭১ এর ঘাতকরা তা বঙ্গবন্ধুকে করতে দেয় নাই। তারা ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু ও ৩০ লক্ষ শহীদ, ৫ লক্ষ মা—বোনের সম্ভ্রনের লক্ষ ছিল বাংলাদেশ হবে সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা। দারিদ্র মুক্ত সমাজ উন্নত পরিবেশের গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসনের দেশ। কিন্তু আমরা দেখতে পাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এই দেশটাকে মোশতাক জিয়া এরশাদ সন্ত্রাসী সৃষ্টি করে দেশ পরিচালনা করতে ছিলেন। তখনই বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতা গ্রহণে করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যার যেসব সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ টাকা পাচারকারী মাদক ব্যবসায়ী তাদেরকে আগামীতে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে নিধন করতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়তে হবে। তবেই স্বার্থক হবে আজকের এই আলোচনা সভা।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ