রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দেওয়া আফিয়া মাসুমা পেল এ গ্রেড যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন মাহমুদুল হক বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে নতুন অর্থায়ন মডেল গড়ে তুলছে আইএফআইসি ব্যাংক ও সুইসকন্ট্যাক্ট পুকুর থেকে হোটেলকর্মীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মিরপুর টেস্ট - উইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারল বাংলাদেশ ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ এ মেয়েরা এগিয়ে এইচএসসিতে ১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ
advertisement
সারাদেশ

শাহজাদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ

সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর গ্রামে ১৯ নম্বর ঘরটি বরাদ্দ পান বিধবা নারী সাহেদা বেগম। তিনি বেলতৈল ইউনিয়নের তেলকুপি গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের স্ত্রী।

জানা গেছে, স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ঘরটি তা কাছ থেকে কিনেছেন আসমা বেগম। এখন ওই ঘরে বসবাস করছেন আসমা বেগম ও তার সন্তানেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর তৃতীয় পর্যায়ের ২য় ধাপে ২০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। জমিসহ একটি ঘর নির্মাণ বাবদ সরকার বরাদ্দ দেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা। এই ২০টি ঘরের ৩টি সুবিধাভোগীরা বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ৬ নম্বর ঘর বরাদ্দ পায় পোরজনা ইউনিয়নের বড় মহারাজপুর গ্রামের মৃত তারা মোল্লার স্ত্রী সাজেদা খাতুন।, সে ঘরটি কিনে সেখানে বসবাস করছেন ১৩ নম্বর ঘরের সুবিধাভোগী রাসেল মিয়া দম্পতি। আর ১৩ নম্বর ঘর কিনে সেখানে বসবাস করছে স্বাধীন দম্পতি। এদিকে ২০ নম্বর ঘরের বরাদ্দ পায় বেলতৈল ইউনিয়নের বেতকান্দি গ্রামের আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন দম্পতি। তারা এ ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন মাসুদ দম্পতির কাছে,। এখন ওই ঘর কিনে সেখানে বসবাস করছেন মাসুদ দম্পতি। এছাড়া ১৭ নম্বর ঘর বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে কাউকে না পাওয়ায় বসবাসকারীর বক্তব্য ও পরিচয় জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ১৯ নম্বর ঘরের মালিক আসমা বেগম টাকার বিনিময়ে ঘর কিনে নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার বড় ছেলে বিয়ে করেছে। ওই ঘরে সে তার বৌ নিয়ে থাকে। এছাড়া আমার ছোট ছেলেও বিয়ের উপযুক্ত হয়েছে। তাই আগের সুবিধাভোগীর কাছে থেকে টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ঘরটি আমরা কিনে বসবাস করছি।

এ বিষয়ে জানতে সুবিধাভোগী সাহেদা বেগমকে খুঁজে না পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ