মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এবার বাড়লো মহানগর ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অল্লু অর্জুন-দীপিকার ‘রাকা’ বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত - পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নিউইয়র্ক–ঢাকা রুটে বিমান চালুর রোডম্যাপ চান যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীরা অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
advertisement
সারাদেশ

শাহজাদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ

সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর গ্রামে ১৯ নম্বর ঘরটি বরাদ্দ পান বিধবা নারী সাহেদা বেগম। তিনি বেলতৈল ইউনিয়নের তেলকুপি গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের স্ত্রী।

জানা গেছে, স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ঘরটি তা কাছ থেকে কিনেছেন আসমা বেগম। এখন ওই ঘরে বসবাস করছেন আসমা বেগম ও তার সন্তানেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর তৃতীয় পর্যায়ের ২য় ধাপে ২০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। জমিসহ একটি ঘর নির্মাণ বাবদ সরকার বরাদ্দ দেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা। এই ২০টি ঘরের ৩টি সুবিধাভোগীরা বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ৬ নম্বর ঘর বরাদ্দ পায় পোরজনা ইউনিয়নের বড় মহারাজপুর গ্রামের মৃত তারা মোল্লার স্ত্রী সাজেদা খাতুন।, সে ঘরটি কিনে সেখানে বসবাস করছেন ১৩ নম্বর ঘরের সুবিধাভোগী রাসেল মিয়া দম্পতি। আর ১৩ নম্বর ঘর কিনে সেখানে বসবাস করছে স্বাধীন দম্পতি। এদিকে ২০ নম্বর ঘরের বরাদ্দ পায় বেলতৈল ইউনিয়নের বেতকান্দি গ্রামের আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন দম্পতি। তারা এ ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন মাসুদ দম্পতির কাছে,। এখন ওই ঘর কিনে সেখানে বসবাস করছেন মাসুদ দম্পতি। এছাড়া ১৭ নম্বর ঘর বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে কাউকে না পাওয়ায় বসবাসকারীর বক্তব্য ও পরিচয় জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ১৯ নম্বর ঘরের মালিক আসমা বেগম টাকার বিনিময়ে ঘর কিনে নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার বড় ছেলে বিয়ে করেছে। ওই ঘরে সে তার বৌ নিয়ে থাকে। এছাড়া আমার ছোট ছেলেও বিয়ের উপযুক্ত হয়েছে। তাই আগের সুবিধাভোগীর কাছে থেকে টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ঘরটি আমরা কিনে বসবাস করছি।

এ বিষয়ে জানতে সুবিধাভোগী সাহেদা বেগমকে খুঁজে না পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ