রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ মেডিকেলে রোগীকে ধরিয়ে দেওয়া হলো চেম্বারের ভিজিটিং কার্ড ‘রিকভারি টি’ আনল টুরাগ অ্যাক্টিভ চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল : ইসি আনোয়ারুল আইএফআইসি ব্যাংক ও ইবনে সিনা ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর সংসদে অর্থমন্ত্রী - ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখ কৃষক ৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন প্রতিটি টেস্ট ড্রাইভের জন্য একটি করে গাছ লাগাবে বিওয়াইডি বাংলাদেশ হানিমাইট-এর আপগ্রেডেড কুলক্লাইন্ট ম্যালওয়ার নিয়ে সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি সূচকের বড় পতনে লেনদেন শেষ নরসিংদীতে  যুব মহিলা লীগ নেত্রী মনি গ্রেপ্তার
advertisement
সারাদেশ

নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পেয়েছেন কৃষক মো.নাজিম উদ্দিন। বিরল এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। মাছটি একনজর দেখতে রাতেই ভিড় করেন শতাধিক মানুষ।

রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি খালে মাছটি পাওয়া যায়।

কৃষক নাজিম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের নদীর তীরে হাঁটতে বের হন কৃষক নাজিম উদ্দিন। এ সময় তার হাতে থাকা টর্চলাইটের আলোতে খালের অল্প পানির মধ্যে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ ছটফট করছে। পরে দ্রুত সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মাছটি পরে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি দোকানে আনা হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, জোয়ারের পানির সঙ্গে মাছটি খালে উঠে এসে আটকা পড়েছিল। বিশাল আকৃতির এ কোরাল মাছ ঘিরে পুরো এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।

নাজিম উদ্দিন বলেন, নদীর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাৎ পানিতে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি বিশাল একটি কোরাল মাছ। পরে দ্রুত ধরে ফেলি। এত বড় মাছ জীবনে এই প্রথম পেলাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, রাত হয়ে যাওয়ায় মাছটি বাজারে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মিলে মাছটি কিনে নেন। প্রায় ২০ কেজি ওজনের মাছটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ