মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু কৃষি ও পল্লী খাতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক–ইউসিবির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১,৫০০ পরিবারকে সহায়তা দিল আরব আমিরাত শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, বিএনপির হাত ধরেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রও এসেছে: প্রধানমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলের কৃষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিলে এসবিএসি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি এনায়েতপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত তথ্য উপদেষ্টা - দুই বছরে মধ্যে গ্রাম ও শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে সরকার মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে প্রস্তাব পেলে জাতীয় স্বার্থ দেখে সিদ্ধান্ত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের অপার সম্ভাবনা - ২০৩০ সালের মধ্যে ২০০ কোটি ডলারের বাজারের হাতছানি প্রাথমিক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০, সাধারণে ২২৫ টাকা নির্ধারণ
advertisement
কর্পোরেট

কৃষি ও পল্লী খাতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক–ইউসিবির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং পল্লী এলাকায় মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) ৩ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে চুক্তি করেছে।

এই তহবিলের মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কৃষি ও পল্লী খাতের নানা কাজে ঋণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি উৎপাদন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন, বাজারজাতকরণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি এবং পল্লী এলাকার অন্যান্য আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড।

গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে এই ঋণ নিতে পারবেন। ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৩ বছর। কাজের ধরন অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধাও পাওয়া যাবে।

কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং পল্লী এলাকার আয়বর্ধক কাজে যুক্ত মানুষের কাছে এই ঋণ পৌঁছে দিতে ইউসিবির শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং ও গ্রুপ লেন্ডিং চ্যানেল ব্যবহার করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ, নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এবং কৃষি ঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক এ কে এম সাইদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

ইউসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রিদওয়ানুল হক এবং এসএমই অ্যান্ড এগ্রি ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ শুধু একটি ঋণ কর্মসূচি নয়; এটি কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও পল্লী এলাকার মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির একটি উদ্যোগ।

একজন কৃষক এই ঋণ নিয়ে উৎপাদন বাড়াতে পারেন। একজন উদ্যোক্তা ব্যবসা বড় করতে পারেন। কোনো পরিবার বাড়াতে পারে তার আয়। আবার কোনো গ্রামে তৈরি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। অর্থাৎ, সঠিক মানুষের কাছে সঠিক সময়ে এই অর্থায়ন পৌঁছাতে পারলে তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে।

বক্তারা এই সুযোগটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ