বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
দাম কমলো স্বর্ণ ও রুপার, জেনে নিন কোনটির ভরি কত? আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে: জ্বালানি মন্ত্রী তনু হত্যা মামলা: - ১০ বছর পর সেনা সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার গ্রেফতার রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে বিডার সঙ্গে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি হাতিয়াতে ১৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ শুরু হচ্ছে জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসর: - পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলালিংক ও সরাসরি সম্প্রচার টফিতে 3rd Quarter Un-Audited Financial Statements of The IBN SINA Pharmaceutical Industry PLC. ঢাকা জেলার নতুন ডিসি ফরিদা খানম
আইন-আদালত

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড কমে হাইকোর্টে যাবজ্জীবন

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: বরগুনায় স্ত্রী মালতি বেগমকে হত্যার দায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আবদুল জলিল নামে এক ব্যক্তির সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন দন্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম মাসুদ রানা, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাফিউল মাজিদ ও আইনজীবী উম্মে ছালমা।

এডভোকেট এম মাসুদ রানা সাংবাদিকদের জানান, মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া সাক্ষীদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী ছিল। শুনানিতে এসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। রায়ে আদালত মৃত্যুদন্ডাদেশ দন্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দন্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন।

দন্ডাদেশপ্রাপ্ত আবদুল জলিল জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের নয়া মিয়ার ছেলে।

১৯৯৮ সালে আবদুল জলিল ও ফরিদপুরের মালতি বেগমের বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০৩ সালের ২৮ আগস্ট মালতিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পেছনে পোড়াবাড়ির বাগানে পুঁতে রাখা হয়। পরদিন মালতির মরদেহ শেয়াল-কুকুরকে খেতে দেখে প্রতিবেশীরা কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. একরামুল বাদী হয়ে মালতির স্বামী, দুই দেবর, ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৪ সালের ৮ এপ্রিল সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার শেষে ছয়জনকে খালাস দিয়ে মালতির স্বামী জলিলকে ২০১৭ সালের ৯ মে মৃত্যুদন্ড দেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।

এই সম্পর্কিত আরো

দাম কমলো স্বর্ণ ও রুপার, জেনে নিন কোনটির ভরি কত?

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে: জ্বালানি মন্ত্রী

তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সেনা সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার গ্রেফতার

রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে বিডার সঙ্গে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি

হাতিয়াতে ১৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

শুরু হচ্ছে জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসর: পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলালিংক ও সরাসরি সম্প্রচার টফিতে

3rd Quarter Un-Audited Financial Statements of The IBN SINA Pharmaceutical Industry PLC.

ঢাকা জেলার নতুন ডিসি ফরিদা খানম