সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
নির্বাচিত কলাম

ফ্রা লুকা ডি প্যাসিওলি’র ‘পার্টিকুলারিস ডি কম্পিউটিস এট স্ক্রিপচার্স’ (এ্যাকাউন্টিং বুকস্ এ্যান্ড রেকর্ডস) এর অধ্যাপক জেরেমি ক্রিপসকৃত ইংরেজি অনুবাদ থেকে বঙ্গানুবাদ


এন জি চক্রবর্তী
(পূর্ব প্রকাশিতের পর) ৪৪তম অংশ
দ্বিতীয় ভাগ।
চৌত্রিশ অধ্যায়।
বছর শেষের ক্লোজিং।

এভাবে পুরানো লেজারের প্রতিটি হিসাবের ব্যালেন্স নুতন লেজারে ট্রান্সফার করুন। এসব হিসাবের মধ্যে থাকবে ক্যাশ, ক্যাপিটাল, মজুদ পণ্য, আসবাবপত্র, বিল্ডিং, দেনাদার, পাওনাদার, অফিস, এজেন্সি আর আয়কর (প্রথা অনুযায়ি এগুলো হচ্ছে মূলধনী হিসাব আর মূলধনী হিসাব বছর শেষ হলেও থেকেই যায়)।

আবার কিছু হিসাব আছে যার ব্যালেন্স নুতন লেজারে ট্রান্সফারই হয় না। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়িক, পারিবারিক, বিশেষ খরচ যেমন রয়েছে তেমনি আবার প্রাপ্ত ভাড়া, পেনশন বা অন্যান্য খাত থেকে আয় হিসাবও রয়েছে। এসবের ব্যালেন্সগুলো পুরানো লেজারের লাভক্ষতি হিসাবে স্থানান্তরিত হয় (যা সঞ্চয় ও ঘাটতি বা লাভ ও ক্ষতি হিসাব বলে পরিচিত)।

সঞ্চয় ও ঘাটতি বা লাভ ও ক্ষতি হিসাব, নাম যাইই দিই না কেন, সমস্ত খরচ ওই হিসাবের ডেবিট দিকে আর রেভিনিউ হিসাবে যা যা প্রাপ্তি তা ওই হিসবের ক্রেডিট দিকে আপনি ট্রান্সফার করুন। এবার এই হিসাবটির দুপাশ মানে ডেবিট কলাম আর ক্রেডিট কলাম যোগ করুন। দুদিকের পার্থক্যটি নির্ণয় করুন। যদি ডেবিট দিক বড় হয় তাহলে বুঝবেন ওই বছরে আপনার ওই পরিমান ক্ষতি হয়েছে, আর যদি ক্রেডিট বড় হয় তাহলে লাভ।

এই লাভক্ষতি হিসাবের ব্যালেন্স নির্ণয়ের পর সেটাকে ক্লোজিং পদ্ধতি অনুসরণ করে পুরানো লেজারেরই মূলধন হিসাবে স্থানান্তর করুন। এটা হলো সেই হিসাব যা আপনি আপনার ব্যবসায়ে বিনিয়েজিত সমস্ত সম্পত্তির মূল্য দিয়ে প্রথমেই খুলেছিলেন।

ওই লাভক্ষতি হিসাবটির ব্যালেন্স এভাবে স্থানান্তরিত করে ক্লোজ করুন। যদি আপনার ক্ষতি হয়ে থাকে, ঈশ্বর এ পরিস্থিতিতে পুণ্যবান খৃষ্টানকে কখনো ছেড়ে যান না, তাহলে হিসাবটির ক্রেডিট দিকে ব্যালেন্সিং ফিগারটা লিখে ওটাকে মূলধন হিসাবে নিচের দেখানো মতে ট্রান্সফার করুন:

image

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ