বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বেনাপোলে সাড়ে ৯০ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল ‘ইএল ক্যাফে’ মেট্রোরেল স্টেশনে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক বাড়াতে চাটনিঅ্যাডস ও ডিজিবক্সের যৌথ চুক্তি ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন - সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার প্রিমিয়ার ব্যাংকের উদ্যোগে হজ্জ এজেন্সিগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা বাংলাদেশে গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী ‘প্লে উইথ আইপিডিসি’ ক্যাম্পেইন বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কলকাতার হোটেলে আগুন - নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত
advertisement
রাজনীতি

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করের প্রস্তাব

বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথি আমন্ত্রণ জানালে অতিরিক্ত প্রত্যেক অতিথির জন্য ১ হাজার টাকা করে কর আরোপের প্রস্তাব করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন।

তার দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানের এই অপচয় রোধ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

বিয়েতে বিত্তবৈভবের অশালীন প্রদর্শনী বাড়ছে উল্লেখ করে শাহাদাত হোসেন বলেন, “দেশে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় দিন দিন বাড়ছে। এসব অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে, যার একটি বড় অংশই নষ্ট হচ্ছে।”

বর্তমান সংস্কৃতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এখন গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে নাচের জন্য এক মাস পর্যন্ত কোরিওগ্রাফির প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গান, জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন এবং বিপুল সংখ্যক অতিথির জন্য প্রচুর খাবারের ব্যবস্থা করা হলেও, এর অর্ধেকের বেশি খাবার শেষ পর্যন্ত অপচয় হয়।”

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও খাদ্যের অপচয় রোধে পুরোনো ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরুজ্জীবিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “আগে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে কর দেওয়ার নিয়ম ছিল। আমরা প্রস্তাব করছি, বর্তমানেও ১০০ জনের বেশি প্রতিটি অতিরিক্ত অতিথির জন্য সরকার ১ হাজার টাকা করে কর নির্ধারণ করুক।”

এই সংসদ সদস্য আশা প্রকাশ করেন, বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অপচয় কমানো গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপ কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে।

 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ