মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ ঈদে টানা ৭ দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক ৫ লিটার তেল নিতে পারবেন এনআরবিসি আল-আমিন ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর ডিজিটাল দানবক্স সেবা চালু খারে পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ
জাতীয়

পঞ্চগড়ে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.১

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ে। মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬.১ ডিগ্রিতে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ জানান, মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও দুয়েকদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এর আগে গত ১০ জানুয়ারি রেকর্ড করা হয়েছিল ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের শীতের দাপটে নাজেহাল হয়ে পড়েছে উত্তরের এ জেলা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত তিনদিন তাপমাত্রা বাড়লেও আজ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রিতে। গতকাল শুক্রবার রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এ জেলায় স্মরণকালে এ জেলায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

সকাল থেকেই দেখা মিলেছে সূর্যের মুখ। তবে অনুভূত হচ্ছে প্রচন্ড শীত। সুর্যের মুখ দেখা গেলেও মিলছে না রোদের উষ্ণতা। শীত দুর্ভোগে পড়েছে নানান শ্রমজীবী-কর্মজীবী গরীব অসহায় মানুষ। পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে শুরু করে ছোটখাটো যানবাহন ভ্যান চালক মানুষগুলো পড়েছেন বিপাকে। তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেকে। তবে জীবিকার তাগিদে কাউকে নদীতে পাথর তুলতে, কাউকে চা-বাগানে আবার কাউকে দিনমজুরের কাজ করতে যেতে দেখা গেছে। শীতের দুর্ভোগ বেড়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। এসব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার যে ত্রাণ দিয়েছে তা একেবারেই অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে বিকেল গড়ালে শুরু হয় হিমেল হাওয়া। সে হাওয়ায় প্রবাহিত হতে থাকে কনকনে শীত। সন্ধ্যার পর থেকেই বাড়তে থাকে শীতের তান্ডব। মধ্যরাত থেকে ভোর অবধি পর্যন্ত বরফের হিমাঞ্চল হয়ে উঠে এ জেলা। স্থানীয়রা জানায়, দিনের চেয়ে রাতের শীত বেশি মনে হয়। পুরো রাত বরফের মতো লাগে। যেন আমরা বরফের দেশের বাস করছি।

এই সম্পর্কিত আরো

৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী

ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ

ঈদে টানা ৭ দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ

রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক ৫ লিটার তেল নিতে পারবেন

এনআরবিসি আল-আমিন ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর ডিজিটাল দানবক্স সেবা চালু

খারে পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ