সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
জাতীয়

বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি

বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ অনুষ্ঠান ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশ। তিনি বলেন, এরপরও র‌্যাবের কমান্ডো বাহিনী প্রস্তুত আছে এবং যে কোনো নাশকতার চেষ্টা হলেই নসাৎ করা হবে।
 
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রমনার বটমূলে র‍্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
 
র‌্যাব ডিজি বলেন, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে শাহবাগ, টিএসসি, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও রমনা বটমূলসহ রাজধানীর যেসব স্থানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‌্যাব। এ জন্য পরীক্ষণ চেক পোস্ট ও অবজারভেশন চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
 
র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিশ্চিত করতে সারাদেশে ১৫টি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন থাকবে।
 
তিনি বলেন, নববর্ষের অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাব সদস্যরা নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ উপলক্ষে ১৮১টি পিকআপ পেট্রোল টিম, ১২৭টি মোটরসাইকেল পেট্রোল টিমসহ মোট ৩০৮টি টহল টিম মাঠে থাকবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
 
তিনি আরও জানান, র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কয়াড কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে নববর্ষ চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তায় কন্ট্রোল রুম, চেক পোস্ট ও সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি রোধে সতর্কাবস্থায় রয়েছে র‌্যাব। আশা করি, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আনন্দের সঙ্গে উদযাপন হবে নববর্ষ।
 
সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো সন্দেহজনক তথ্য বা নিরাপত্তা ঝুঁকি চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
এর আগে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হয় পুরো এলাকার। ড্রোন ও সিসিটিভি দিয়ে পুরো এলাকা করা হচ্ছে মনিটরিং। ওয়াচ টাওয়ার মাধ্যমেও চলছে নজরদারি। পোশাকের বাইরে ইভটিজিং প্রতিরোধে সাদা পোশাকেও প্রস্তুত থাকবে র‌্যাব বলেও জানান তিনি। গুজব রোধে সাইবার টিম কাজ করছে বলেও জানান আহসান হাবীব পলাশ।
 
এদিকে, বর্ষবরণে রমনার বটমূলে প্রস্তুত হচ্ছে মঞ্চ। শেষ মুহূর্তে চলছে ঝাড়ামোছার কাজ। শুধু মঞ্চই নয়, ঝেড়ে মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে পুরো এলাকা। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠান শুরু হবে সম্মেলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের পরিবেশনা দিয়ে। মোট ২২টি গান পরিবেশিত হবে প্রায় দুই ঘণ্টার এ অনুষ্ঠানে। আজ বিকেল ৩টায় শুরু হবে ছায়ানটের গানের মহড়া।
 

এই সম্পর্কিত আরো