শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
মুভি ট্রেন্ডিং চার্টে নাম্বার ওয়ান প্রিন্স টিজার ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী এনআরবিসি ব্যাংকে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তিন মাসে প্রায় এক কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, জেনে নিন কোনটির ভরি কত? ইরানের তেলসমৃদ্ধ ‘খারগ দ্বীপে’ যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা অস্ত্রোপচার শেষে আইসিইউতে মির্জা আব্বাস দ্য হান্ড্রেডে দল পেলেন মুস্তাফিজ ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রা: - আজ মিলছে ২৪ মার্চের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট
জাতীয়

ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে আল্লাহর রহমতে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তাবায়নের কাজ শুরু করেছি।.
 
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কিছু মানুষ এখানে একত্রিত হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া মানুষ যাদের সম্মান করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পেয়েও থাকে। তিনি বলেন, যারা অর্থনৈতিকভাবে বা অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করবো। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই রকমই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছ। ভোটের কালির দাগ নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’ আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি। 
 
তিনি আরও বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এরইমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা বাংলাদেশে চার কোটি পরিবার পাবে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে আমরা কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করব। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা বা সম্মানী কর্মসূচির পাইলট প্রজেক্ট চালু হলো।’
 
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত করতে চান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাদের তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে, কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে না পারে। আমি একজন রাজনীতি কর্মী হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দেশের নাগরিকদেরকে যদি দুর্বল করে রাখা হয় তাহলে রাষ্ট্র কখনোই শক্তিশালী হতে পারে না। তাই নাগরিকদের আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ধীরে ধীরে শক্তিশালী গড়ে তুলতে চাই।’
 
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং চালিয়ে যাবে বলেও জানান সরকার প্রধান। সেইসঙ্গে নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়িত্ববোধও রয়েছে বলে মনে করিয়ে দেন তিনি।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আত্মিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে। কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া—এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারেন না। এই ধরনের মানবিক বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ উজ্জীবিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে আগামী দিনে যারা দেশকে নেতৃত্ব দেবে তাদের জন্য প্রয়োজন।’
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার করে পাবেন টাকা। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
 
এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
 
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা বা বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে। 
 
তিনি আরও জানান, এ সম্মানি দেয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। প্রতি অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেয়া হবে। এ সম্মানী ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি চালু হবে।  

এই সম্পর্কিত আরো

মুভি ট্রেন্ডিং চার্টে নাম্বার ওয়ান প্রিন্স টিজার

ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

এনআরবিসি ব্যাংকে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

তিন মাসে প্রায় এক কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, জেনে নিন কোনটির ভরি কত?

ইরানের তেলসমৃদ্ধ ‘খারগ দ্বীপে’ যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা

অস্ত্রোপচার শেষে আইসিইউতে মির্জা আব্বাস

দ্য হান্ড্রেডে দল পেলেন মুস্তাফিজ

ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৪ মার্চের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট