মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা আইআরজিসির: - জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেই ‘জ্বালিয়ে দেওয়ার’ হুমকি বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদী ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত এক মাসের বেশি দীর্ঘ হতে পারে ইরান যুদ্ধ : ডোনাল্ড ট্রাম্প জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান হাসপাতালে ভর্তি ফজলুর রহমান বাবু নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কে গলা কাটা শিশুটির মৃত্যু দেশের বাজারে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজের প্রি-অর্ডার শুরু সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি ইরানের হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত: - প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ
জাতীয়

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তারা দেশের কৃতী সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় রাষ্ট্রপতি মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকাল ৭টা ২০ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে এবং এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সালাম জানায়। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা পৃথকভাবে উপদেষ্টামণ্ডলী, শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের এ দিনে (১৪ ডিসেম্বর) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামসরা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এর ২ দিনের মাথায় ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশের।

একাত্তরের এ দিনে নৃশংস এ হত্যাযজ্ঞের উদ্দেশ্য ছিল- শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, গবেষক, চিকিৎসক ও সংস্কৃতিকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য ও দিশাহীন করে দেয়া। প্রতি বছর এই দিনে গভীর শোক, বেদনা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে জাতি তাই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে।

দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষলগ্নে যখন পুরো দেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন পুরো জাতিসহ সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিল।

এই সম্পর্কিত আরো

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা আইআরজিসির: জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেই ‘জ্বালিয়ে দেওয়ার’ হুমকি

বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদী ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত

এক মাসের বেশি দীর্ঘ হতে পারে ইরান যুদ্ধ : ডোনাল্ড ট্রাম্প

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান

হাসপাতালে ভর্তি ফজলুর রহমান বাবু

নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড

সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কে গলা কাটা শিশুটির মৃত্যু

দেশের বাজারে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজের প্রি-অর্ডার শুরু

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি

ইরানের হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ