বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
মৌসুমের আগেই তরমুজের কেজি ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি ৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন রমজান ও ঈদে আইএফআইসি কার্ডের স্পেশাল অফার বাংলাদেশ-চীন স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: - ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার ছাত্রলীগ করাই নিজ সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার ও সেহরি কেমন হবে? জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান করল সিটি ব্যাংক রায়গঞ্জে সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫ সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে সিইও নিয়োগ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক নববর্ষের অঙ্গীকার: প্রধান উপদেষ্টা

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ সুযোগ যেন আমরা না হারাই। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এবারের নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশবাসীকে নতুন উদ্যমে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতির দিন, মহামিলনের দিন। আজকে সবাইকে আপন করে নেয়ার দিন। এবারের নববর্ষ, নতুন বাংলাদেশের প্রথম নববর্ষ। আসুন, আমরা বিগত বছরগুলির গ্লানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি। চলুন, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন,‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় এবং তাকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আমাদের এসব ঐতিহ্য শুধু যেন নিজেদের মধ্যেই না থাকে, আমাদের সংস্কৃতি যেন আমরা ছড়িয়ে দিতে পারি বিশ্ব দরবারে। বছরের এই দিনটিতে আমরা সুযোগ পাই উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্ম ও পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতে।’

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব, বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। পুরো পৃথিবীতে যেখানে যেখানে বাঙালিরা আছেন আজ আমাদের সবার আনন্দের দিন, বর্ষ বরণের দিন।

‘ফসলি সন’ এর ইতিহাস তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলা সাল গণনা শুরু হয়েছিল কৃষিকাজের সুবিধার জন্য, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। এখনো এদেশের কৃষকরা বাংলা তারিখের হিসেবেই বীজ বোনেন, ফসল তোলেন।
‘হালখাতা’কে বাংলা নববর্ষের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এখনকার আধুনিক সময়েও অনেকেই এই হালখাতার ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের হাটে-বাজারে, শহরে-বন্দরে। নববর্ষের বৈশাখী মেলায় বাংলাদেশের জেলায় জেলায় উদ্যোক্তারা সারা দেশে ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা, হাত পাখা ইত্যাদি তৈরি করে নিজেদের সৃজনশীলতাকে তুলে ধরেন এই দিনকে উপলক্ষ্য করে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে এবার বড় পরিসরে উৎসব উদযাপন করছে।

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নববর্ষ ১৪৩২ আমাদের সবার জন্য শুভদিনের সূচনা করুক। নববর্ষ ১৪৩২ আমাদের সকলের জন্য নতুন ও গভীর আনন্দের উন্মোচন করুক, এই কামনা করছি।

তিনি নববর্ষের সকল আয়োজন ও উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন।
সূত্র-বাসস।

এই সম্পর্কিত আরো

মৌসুমের আগেই তরমুজের কেজি ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি

৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন

রমজান ও ঈদে আইএফআইসি কার্ডের স্পেশাল অফার

বাংলাদেশ-চীন স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার

ছাত্রলীগ করাই নিজ সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার

রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার ও সেহরি কেমন হবে?

জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান করল সিটি ব্যাংক

রায়গঞ্জে সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে সিইও নিয়োগ

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর