মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
মার্চেন্ট পয়েন্টে এনসিসি ব্যাংকের বাংলা কিউআর সেবা চালু নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে  নিহত ১, আহত ৭ ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু প্রথম পাঁচ মাসেই রেকর্ড ২০৪ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করল সরকার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশে সাফল্যের ২০ বছর পূর্ণ করল কেএফসি
advertisement
জাতীয়

আজ জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস আজ রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি)। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য “খাদ্য হোক নিরাপদ, সুস্থ থাকুক জনগণ”। নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি জনগণের অধিকার হলেও ড্রামে বাজারজাতকৃত খোলা ভোজ্যতেল জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইন অনুযায়ী ভোজ্যতেল ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ ব্যতীত বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ। কিন্তু ড্রামের অধিকাংশ খোলা ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ নেই বা পরিমিত মাত্রায় থাকেনা। প্লাস্টিকের ড্রাম বারবার ব্যবহারের ফলে ভোজ্যতেল বিষাক্ত হতে পারে। তাছাড়া ড্রামের খোলা ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানোর সুযোগ থাকে। ফলে “ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে ড্রামের খোলা ভোজ্যতেল বাজারজাতকরণ একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

জাতীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট জরিপ ২০১১-১২ অনুযায়ী, দেশে ০৬-৫৯ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যে ২০.৫% এবং ১৫-৪৯ বছর বয়সি নারীদের (গর্ভবতী এবং দুগ্ধদানকারী ব্যতীত) মধ্যে ৫.৪% ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিতে ভুগছে।

আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারে মোট ভোজ্যতেলের ৬৫ শতাংশ ড্রামে বাজারজাত করা হয়, যার মধ্যে ৫৯ শতাংশই ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ নয় এবং ৩৪ শতাংশে সঠিকমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ নেই। মাত্র ৭ শতাংশ ড্রামের খোলা তেলে আইনে নির্ধারিত ন্যূনতম মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া গেছে। এসব ড্রামে কোনো প্রকার লেবেল এবং উৎস সনাক্তকরণ তথ্য যুক্ত না করায় তেল সরবরাহের উৎস চিহ্নিত করা যায় না। ফলে কেউ অপরাধ করলে তদের চিহ্নিত করা যায় না।

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “ভোজ্যতেল খাদ্যপণ্য বিধায় এটি নিরাপদভাবে ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার। ড্রামে খোলা ভোজ্যতেল বাজারজাতকরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং এর ক্ষতি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে।”

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ