মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
জাতীয়

ঘূর্ণিঝড় মোখা : চট্টগ্রাম বিমানবন্দর বন্ধ, বন্দরে অ্যালার্ট-৪ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক : অতিপ্রবল হয়ে ওঠা ঘূর্ণিঝড় মোখা’র প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রাথমিকভাবে ৪২ ঘণ্টা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে আগামীকাল রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলিম আহমেদ। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে অ্যালার্ট-৪’ জারি করা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পণ্য খালাস বন্ধ করে দিয়েছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রক চট্টগ্রাম বন্দর। জেটিতে অবস্থানরত বড জাহাজ গুলোকে বহিনোঙ্গরে চলে যেতে বলা হয়েছে। লাইটার জাহাজ গুলোকে কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতু এলাকার দিকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, আমরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছি। সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বড় জাহাজগুলো বন্দর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো ইঞ্জিন চালু রেখে বহিনোঙ্গরে থাকবে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে অ্যালার্ট-৪’ জারি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি জেটিতে থাকা জাহাজ গুলোকে বহির্নোঙ্গরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সংকেত জারি করলে বন্দর প্রথম পর্যায়ের সতর্কতা বা ‘অ্যালার্ট-১’ জারি করে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ৪ নম্বর সংকেত জারি করলে বন্দর অ্যালার্ট-২ জারি করে। বিপদ সংকেত ৫,৬ ও ৭ নম্বরের জন্য বন্দরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা অ্যালার্ট-৩ জারি করা হয়। মহাবিপদ সংকেত ৮,৯ ও ১০ হলে বন্দরেও সর্বোচ্চ সতর্কতা বা অ্যালার্ট-৪ জারি করা হয়। সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি হলে বন্দর জেটিতে অবস্থানরত জাহাজগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ