বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সাড়ে ৩ লাখ মসজিদের দেশ বাংলাদেশ, এক-পঞ্চমাংশই ঢাকায়! কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ছে সব মাদ্রাসায় দৈনিক সমাবেশ ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করে নির্দেশনা জারি রেফারির ওপর ক্ষোভ - ফিফায় ম্যাচ ফিক্সিংয়ের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মিশরের কলম্বিয়াকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের লাইন-আপ চূড়ান্ত, দেখে নিন সময়সূচি ২-০ থেকে ৩-২! - মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ১১ জুলাই ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হচ্ছে : আইনমন্ত্রী ছয় দিনে রেমিট্যান্স এলো ৮ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা
advertisement
জাতীয়

জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনের জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভাতাভোগী জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতের সংখ্যা এক হাজার ৮৫৭ জন বৃদ্ধি করে ১৬ হাজার ৫১৩ জন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের ২০ হাজার টাকা এবং এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতদের যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আগামী বাজেটে তা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি। তবে ভাতাভোগীর সংখ্যা এক হাজার ৮৫৭ জন বৃদ্ধি করে ১৬ হাজার ৫১৩ জন করার প্রস্তাব করছি।

এছাড়া জুলাই গণভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও কর্মক্ষমতা হারানো জুলাইযোদ্ধাদের পরিবারের আবাসনের জন্য চলমান প্রকল্পের অংশ হিসেবে আগামী অর্থবছর ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করছি।

এবারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটিই প্রথম বাজেট। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র মহাসড়কে এগিয়ে নেওয়া।

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ