রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০
advertisement
আইন-আদালত

কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর মালিক সোহেলের জামিন

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় করা মামলায় ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মালিক সোহেল সিরাজকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হক তাকে জামিন দেন। রমনা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই নিজাম উদ্দিন ফকির জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজের জামিনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী নজিবুল্লাহ হিরু, মোখলেছুর রহমান বাদলসহ অন্যান্য আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় স্থানীয় জামিনদারের জিম্মায় জামিন দেন। শুনানিতে আইনজীবীরা বলেন, সোহেল সিরাজ ঘটনার সময় বিদেশে ছিলেন। এই ঘটনায় তার কোনো অবহেলা নেই। এ মামলায় আগে গ্রেপ্তার ৪ জন জামিনে আছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আয়কর দাতা। জামিনে মুক্তি দিলে তিনি পালাবেন না।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (৭ মে) মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরপরই ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর মালিক সোহেল সিরাজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ১০ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তিনি জামিন পেলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ৮ তলা ভবনে আগুন লাগে। ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছিল বিরিয়ানির দোকান কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁ। এ ছাড়া ভবনটির অন্যান্য তলায়ও ছিল অনেক খাবারের দোকান। ওই ভবনটিতে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জন নারী এবং ৮ শিশু ছিল। তারা সবাই খাবার খেতে ভবনটির বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ