শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০
advertisement
আইন-আদালত

জয়পুরহাটে ভ্যান চালক আবু সালাম হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদন্ড

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার একটি ভ্যানের জন্য আবু সালাম হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদন্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করেছে জয়পুরহাটর একটি আদালত ।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় মৃত্যুদন্ডের এ রায় ঘোষণা করেন জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ নুরুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন । মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশনা প্রদান করে রায় দেয় আদালত।

জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডঃ নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার আওড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ, মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহম্মেদ ও জসিম উদ্দিনের ছেলে হাফিজার রহমান। রায় ঘোষণার সময় হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হারুন অর রশিদ আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর জয়পুরহাট সদরের দুর্গাদহ বাজার থেকে সাজা প্রাপ্ত আসামিরা আবু সালামের ভ্যান ভাড়া করে কালাই যায়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবু সালাম কে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আওড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের পারিবারিক কবরস্থানে পুরাতন কবরে লুকিয়ে রেখে ভ্যান নিয়ে পালিয় যায়। পরের দিন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে কালাই থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর্জা মোঃ শাহাজাহান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালাই থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আঃ সাত্তার ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। চার্জশীটে উল্লেখ করা হয় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শুধু মাত্র ভ্যানটি নেওয়ার জন্যই ভ্যান চালক আবু সালামকে খুন করে। পরে ভ্যানটি ২০০০ টাকায় বিক্রি করে নিজেরা ওই টাকা ভাগ করে নেয়।

মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ মঙ্গলবার কালাই উপজেলার ভ্যান চালক আবু সালাম হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদন্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করে রায় দেয় আদালত ।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ নৃপেন্দ্রনাথ সন্ডল পিপি ও এপিপি গকুল চন্দ্র মন্ডল, শামীমুল ইমাম শামীম, খাজা শামসুল ইসলাম বুলবুল এবং আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ আহসান হাবিব চপল ও শহিনুর রেজা শানু ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ