সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে মেডিকেল-বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত ২০ এপ্রিল শাহজিবাজার পাওয়ারের পর্ষদ সভা বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক ব্যবহারের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের শত কোটি টাকার সড়ক লোন থেকে শপিং, ইউসিবি ওয়ান অ্যাপে
আইন-আদালত

ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা হাইকোর্টে বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দেয়া ১৪ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি কামরুল হাসান মোল্লার একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে গত বছরের ২১ জুন ঢাকার ষষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম মিজানুর রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তার ভাই মাহবুবুর রহমান, ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান এবং স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নাকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন ডিআইজি মিজান।

বিচারক পর্যবেক্ষণে বলেন, মিজান পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হলেও তিনি অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের জন্য জঘন্য অপরাধ করেছেন। তাই তিনি আদালত থেকে কোনো সুযোগ পাননি।

এর আগে বিচারক মামলার অভিযোগকারীসহ রাষ্ট্রপক্ষের ২৭ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া এক সংবাদ পাঠককে হত্যার হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় জিডি করা হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০২০ সালে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুস লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসলে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একইসঙ্গে ২০১৯ সালে মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদুক।

জ্ঞাত উৎসের বাইরে ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অর্জনের অভিযোগে মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না এবং ভাগনে পুলিশের উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদক ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করে।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি দুদক তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। দুর্নীতির মামলায় কারাগারে থাকা ডিআইজি মিজানুর রহমানকে গত বছরের ৩ নভেম্বর চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালত এই মামলায় মিজান এবং অপর তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অপরদিকে দুদকের এক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে মিজানকে গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এই সম্পর্কিত আরো

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে মেডিকেল-বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত

২০ এপ্রিল শাহজিবাজার পাওয়ারের পর্ষদ সভা

বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি

বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি

ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ

শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক

ব্যবহারের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের শত কোটি টাকার সড়ক

লোন থেকে শপিং, ইউসিবি ওয়ান অ্যাপে