বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আইপিও বরাদ্দে ইক্যুয়াল ডিস্ট্রিবিউশন পদ্ধতিই কেন সেরা? ওমান উপকূলে কার্গো জাহাজে হামলা, ভারতীয় নাবিক নিহত পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় স্বামী-স্ত্রীকে খুন বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট শুরু বৃহস্পতিবার বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি সচিবালয়ে আইডি কার্ড সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ মেঘনা ব্যাংকের কোম্পানীগঞ্জ উপশাখার উদ্বোধন টেকনাফে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ে সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত
advertisement
আইন-আদালত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাস

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের দণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। সেই সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) খালাস দিলেন হাইকোর্ট।

রায় শেষে বেরিয়ে আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মামলার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, আদালত আমাদের শুনেছেন। বলেছেন, আপিলটি আমি লাইন বাই লাইন পড়েছি। এভিডেন্সগুলো দেখেছি। আপনারা যা দিয়েছেন তার আইনগত ভিত্তি রয়েছে। আমি আপিলটি মঞ্জুর করলাম। অর্থাৎ, গ্রহণ করলাম।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দেয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন।

এদিকে হাইকোর্টে আপিলের ওপর শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর এ মামলায় রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ২০১৯ সালে আপিল বিভাগে পৃথক দুটি লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর গত ৬ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ