শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায়‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিডিঅ্যাপস অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও বুট ক্যাম্প উদ্বোধন আইএফআইসি ব্যাংকের দিনব্যাপী “তফসিলভুক্ত ব্যাংকের শাখা কর্তৃক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক কর্মসূচির আয়োজন পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বদলে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি অস্ত্র মামলায় হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড সূচকের বড় পতনে লেনদেন শেষ মমেক হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু এনআরবিসি ব্যাংকে জেনারেল ব্যাংকিং ও ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক আউটরিচ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৫৫তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত
আইন-আদালত

বিচার বিভাগে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা প্রধান বিচারপতির

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, ‘বিচার বিভাগে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। জেলা জজ ও বিচারকদের দুর্নীতি দমনে ব্যর্থ হলে এটি তার সার্ভিসে ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য করা হবে। কারণ বিচার বিভাগে কারও ব্যক্তির দুর্নীতি পুরো বিচার বিভাগের দুর্নাম হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন শাখায় দুর্নীতি-অনিয়ম ছেয়ে গেছে। এটি এখন আর বরদাশত করা হবে না।’

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে প্রায় দুই হাজার বিচারকের উপস্থিতিতে নিজের অভিভাষণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

নতুন বাংলাদেশে সততা, ন্যায় ও অধিকার বোধের বিচারবিভাগ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিজ্ঞা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, একটি ন্যায় ভিত্তিক বিচারব্যবস্থার কাজ হলো জনগণ ও রাষ্ট্রকে সুরক্ষা দেয়া। কারণ মানুষের আস্থার জায়গা এই বিচারবিভাগ। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে বিচারবিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। বঞ্চনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

শাসকের আইন নয়, আইনের শাসনই বিচারবিভাগের মূল লক্ষ্য দাবি করে তিনি আরও বলেন, ৪২ লাখ মামলার জট রয়েছে। এর কারণ লোকবল সংকট, এজলাস সংকট। মামলার তুলনায় বিচারকের সংখ্যাও অপ্রতুল। মাত্র দুই হাজার বিচারক দিয়ে এটি সম্ভব নয়। দক্ষ জনবল নিয়োগ জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগ পৃথক হলেও বিচার বিভাগে চলছে দ্বৈত শাসন। এ কারণে বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। বিচার বিভাগ পৃথক সচিবালয়ে না হলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’

সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘বিচারকদের বদলি এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়নের নীতিমালা করা হবে। এখনই সময় পৃথক সচিবালয়ে গঠনের। না হয়, মানুষ বিচার বিভাগের সুফল পাবে না।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘পৃথকভাবে সচিবালয়ে তৈরি করে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক বাজেট তৈরি করতে হবে। অন্য সার্ভিসের সঙ্গে বিচার বিভাগের বেতন, সুযোগসুবিধায় যে বৈষম্য রয়েছে, তা নিরসন করতে হবে। বিচার বিভাগে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতার জন্য কমিশন নিয়োগ করতে হবে।’

সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস। যার প্রতিফলন হিসেবে আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পেয়েছি। দেশের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিগত সময় বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচার বিভাগের দুর্নাম করা হয়েছে।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমাদেরকে কঠিন সময়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিদ্যমান বিচার বিভাগের স্বচ্ছতার জন্য মাসদার হোসেন মামলার রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে বিচারকদের গাড়ি, বাসস্থান ও এজলাস নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।’

অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিটির প্রধান বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:

মামলা দিয়ে হয়রানি করার সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে: আইন উপদেষ্টা

এই সম্পর্কিত আরো

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায়‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিডিঅ্যাপস অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও বুট ক্যাম্প উদ্বোধন

আইএফআইসি ব্যাংকের দিনব্যাপী “তফসিলভুক্ত ব্যাংকের শাখা কর্তৃক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক কর্মসূচির আয়োজন

পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বদলে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি

অস্ত্র মামলায় হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড

সূচকের বড় পতনে লেনদেন শেষ

মমেক হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

এনআরবিসি ব্যাংকে জেনারেল ব্যাংকিং ও ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক আউটরিচ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৫৫তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত