বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে মেডিকেল-বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত ২০ এপ্রিল শাহজিবাজার পাওয়ারের পর্ষদ সভা বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক ব্যবহারের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের শত কোটি টাকার সড়ক লোন থেকে শপিং, ইউসিবি ওয়ান অ্যাপে
আইন-আদালত

ধর্ষণের শিকার নারীর ‘টু ফিঙ্গার’ পরীক্ষা নিষিদ্ধের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : ধর্ষণের শিকার নারীদের শারীরিক পরীক্ষায় ‘টু ফিঙ্গার’ (দুই আঙুলের পরীক্ষা) পদ্ধতি অবৈজ্ঞানিক ও অনির্ভরযোগ্য অভিহিত করে তা নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ কয়েকদফা নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ আগস্ট) রিটকারী সংগঠন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এক রিটের চুড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল কয়েক দফা নির্দেশনাসহ এ রায় দেন।

এসব নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্ষণের শিকার নারীর ক্ষেত্রে দুই আঙুলের পরীক্ষা অবৈজ্ঞানিক, অনির্ভরযোগ্য এবং অবৈধ, যার পরিপ্রেক্ষিতে দুই আঙুলের পরীক্ষা নিষিদ্ধ। চিকিৎসকরা ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষার সনদে ধর্ষণের বিষয়ে মতামত দেবেন, কিন্তু কোনোভাবেই অমর্যাদাকর শব্দ, যেমন ‘অভ্যাসগতভাবে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত’ প্রয়োগ করতে পারবেন না এবং ধর্ষণের শিকার নারীকে তার অতীতের যৌন সম্পর্ক নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন না। ধর্ষণের শিকার নারীর যৌনাঙ্গে কোনো গভীর ক্ষত পরীক্ষার জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠাতে হবে। কোনো শিশু বা কিশোরী মেয়ের ক্ষেত্রে পার স্পেকিউলাম (এক ধরনের যন্ত্র) পরীক্ষা করা যাবে না, যদি না কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে। এছাড়া বায়ো ম্যানুয়াল পরীক্ষাও করা যাবে না। কারণ, এর সঙ্গে দুই আঙুলের পরীক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি গাইনি পরীক্ষা।

রায়ে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও সেবিকাদের নিয়োগ করতে হবে। এ পরীক্ষার সময় নারী পুলিশ, একজন নারী আত্মীয়ের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং একজন নারী চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করাতে হবে। কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার নারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করবে।

ধর্ষণের শিকার নারীকে আদালতে জিজ্ঞাসাবাদে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়-এমন কোনো প্রশ্ন আইনজীবী করবেন না, তা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নিশ্চিত করবেন। সূত্র-বাসস।

আরও পড়ুন:

বিচারিক জীবনের আজ শেষ কর্মদিবস প্রধান বিচারপতির

মাকে অভিভাবকের স্বীকৃতি দিল হাইকোর্ট

এই সম্পর্কিত আরো

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে মেডিকেল-বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত

২০ এপ্রিল শাহজিবাজার পাওয়ারের পর্ষদ সভা

বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি

বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি

ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ

শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক

ব্যবহারের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের শত কোটি টাকার সড়ক

লোন থেকে শপিং, ইউসিবি ওয়ান অ্যাপে