মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৩ জুলাই ২৬ জুলাই আরএকে সিরামিকের পর্ষদ সভা সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় স্পেনের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন, মাদ্রিদে বাঁধভাঙা উল্লাস দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণর দাম বিশ্বকাপের ফেয়ার প্লে এ্যাওয়ার্ড জিতলো নেদারল্যান্ডস ইতিহাসের সবচেয়ে দামি বিশ্বকাপ - চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্পেন পেলো ৬১৫ কোটি টাকা ঢাকায় শুরু হচ্ছে 'টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬' প্রদর্শনী বিশ্বকাপের ভক্তদের উৎসবে হামলার হুমকি তদন্ত করছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ
advertisement
আইন-আদালত

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে কারাগারে যাওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের সেই চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পল্লবী থানার মামলায় তাকে ইসিবি চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে ‘সিআর মামলার’ একটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। পল্লবী থানা পুলিশের চাহিদার প্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের এক মাস পর জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অস্ত্র, মানি লন্ডারিংসহ মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‌্যাব উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করে র‌্যাব। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনেও পৃথক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট আপিলে তাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই রায় স্থগিত করেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অস্ত্র মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও রয়েছে। সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন তিনি।

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ