রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তথ্য চুরি করছে নতুন ম্যালওয়্যার ‘গোসার্পেন্ট’, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি দেশের বাজারে ২৬টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, শিশুদের ৪ ব্র্যান্ডেও মিলল ক্ষতিকর কণা ট্রাকচালক হোসেন হত্যা - শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৩ আগস্ট এক হাজার টাকার জন্য তাঁত শ্রমিক হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আইন অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ই-রিটার্ন সেবা চালু - জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে জমা দিলে মিলবে ৫ শতাংশ প্রণোদনা ইসলামী ব্যাংক রাজশাহী জোনের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত
advertisement
আইন-আদালত

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।  শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ