বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সরকারি দপ্তরে অনলাইন হাজিরা - ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দিয়ে প্রশাসনের সংস্কার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী ফার্স্ট ফাইন্যান্সের এজিএমের তারিখ পরিবর্তন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ ব্যাংক - অর্জন করল 'মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে ‘এমলিনো ডায়াবিট রান’ এর নিবন্ধন শুরু ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্ট যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১৬৮৪ শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তন ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগ: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনা - পিয়াসের শেষ বিদায়ে কাঁদল মালিপাড়া, বাবা হারা ছোট্ট মেয়ে
advertisement
আন্তর্জাতিক

ড. ইউনূস সরকারের সমালোচনা করা রিপোর্ট প্রত্যাহার ব্রিটিশ এমপিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে যুক্তরাজ্যের একাধিক এমপির দেয়া প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথবিষয়ক অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ (এপিপিজি) গত বছরের নভেম্বরে ওই প্রতিবেদনটি দেয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। যদিও অভিযোগ ওঠে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখিত অনেক তথ্য সঠিক নয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, লেবার পার্টির একজন এমপি হাউস অব কমন্সে এটি সম্পর্কে অভিযোগ করার পরে ওই প্রতিবেদনটি আর বিতরণ করা হচ্ছে না এবং প্রতিবেদনটি এখন ‘পর্যালোচনার অধীনে’ রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাদ্যম দ্য গার্ডিয়ানের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের তিন মাস পর গত নভেম্বরে ‘বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করা হয়। ওই আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক দমনপীড়ন চালায়, যাতে আনুমানিক এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এএপিজি) ওই প্রতিবেদনে হাসিনার উত্তরসূরি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে এএপিজির চেয়ার কনজারভেটিভ পার্টির অ্যান্ড্রু রোসিনডেল একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ থাকা উচিত, যেখানে শুধু ক্ষমতাসীনদের সমর্থকদের জন্য নয় বরং সবার জন্য সকল সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে। অবিলম্বে এই ধারার পরিবর্তন না হলে নতুন সরকারের কাছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে আশা করছে, তা হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।’

প্রতিবেদনে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারের বিরুদ্ধে ‘আইনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার এবং ‘উগ্রপন্থী ইসলামিস্টদের’ পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ করে বলা হয়, আমরা প্রমাণ পেয়েছি যে সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগ নেতা, এমপি, সাবেক বিচারক, পণ্ডিতজন, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এত বেশি সংখ্যায় হত্যার অভিযোগ আনা হচ্ছে যে সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

মিথ্যা তথ্যে ভরপুর এবং ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা এই রিপোর্টের সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ঘুরে যাওয়া লেবার পার্টির এমপি রূপা হক এই সপ্তাহে হাউস অব কমন্সে প্রতিবেদনটির কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং এটিকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কুচক্রী কাজ বলে অভিহিত করেছেন। সূত্র-দ্য গার্ডিয়ান।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ