রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক সেপ্টেম্বর থেকে শুরু - ৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী কানেকটিকাটে গাড়িচাপায় শিশুকে হত্যার দায়ে বাংলাদেশি তারেক আম্বিয়া গ্রেপ্তার গুমের ৬১ দিনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শোনালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার
advertisement
আন্তর্জাতিক

ওয়াগনারের সহায়তায় ক্ষমতায় থাকতে চায় নাইজারের জান্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ক্ষমতায় টিকে থাকতে রুশ ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের সাহায্য চেয়েছে নাইজারের জান্তা। অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা প্রেসিডেন্টকে মুক্তি দেওয়া এবং ক্ষমতা থেকে সরে না দাঁড়ালে পশ্চিম আফ্রিকান দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছে প্রতিবেশীরা। তার ডেডলাইন এগিয়ে এগিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতেই তড়িঘড়ি করে ওয়াগনারের দ্বারস্থ হন নাইজারের সামরিক জেনারেলরা।

নাইজারে সাম্প্রতিক সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা জেনারেল সলিফু মোডি প্রতিবেশী দেশ মালিতে গিয়ে ওয়াগনারের একজন প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই অনুরোধ জানিয়েছেন। সাংবাদিক এবং সোফান সেন্টারের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ওয়াসিম নাসর বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) এ তথ্য জানিয়েছেন। এছাড়াও মালির তিনটি সূত্র এবং একজন ফরাসি কূটনীতিক ওয়াগনারের সঙ্গে নাইজার জান্তার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওয়াগনার গ্রুপ প্রস্তাবটি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন নাসর। তিনি বলেছেন, তাদের (জান্তা) ওয়াগনারকে দরকার। কারণ ওরাই ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য গ্যারান্টি হয়ে উঠবে।

নাইজারের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজউমকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জান্তা প্রশাসনকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল পশ্চিম আফ্রিকান সামরিক জোট ইকোওয়াস। রোববার (৬ আগস্ট) শেষ হচ্ছে সেই সময়সীমা।

গত বৃহস্পতিবার জান্তা প্রধান জেনারেল আবদুরাহমান চিয়ানির সঙ্গে দেখা করার জন্য একটি মধ্যস্থতাকারী দলকে নাইজারে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাদের দেশটিতে প্রবেশ করতে দেয়নি জান্তা সরকার। এরপরেই শুক্রবার ইকোওয়াস সদস্যদের প্রতিরক্ষা প্রধানরা নাইজারে সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেন এবং ডেডলাইন ঘোষণা করেন।

তবে নাইজারে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মালি সফর করা জেনারেল সলিফু মোডি। তিনি বলেছেন, নাইজারের ‘নতুন লিবিয়া’ হওয়া ঠেকাতে যা যা করা দরকার, তা তারা করবেন।

নাইজারকে ওই অঞ্চলে পশ্চিমাদের শেষ নির্ভরযোগ্য সন্ত্রাসবাদবিরোধী অংশীদার হিসেবে দেখা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থান অনেকটা সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। নাইজারের সামরিক নেতারা পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে সাবেক উপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সকে প্রত্যাখ্যান করে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন।

মালিসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে ওয়াগনার গ্রুপ। তবে সেসব জায়গায় তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক হয়রানির অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ