রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০
advertisement
আন্তর্জাতিক

৩০ বছর বয়সে ১২ বিয়ে, টাকা-গয়না নিয়ে গায়েব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিয়ের নামে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের দায়ে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারী ১২ জন যুবকের সঙ্গে বিয়ের নামে প্রতারণা করেছেন। প্রতিটি বিয়ের মাস পেরুলেই মোটা অঙ্কের টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যেতেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজৌরি জেলার নৌসেরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শাহিন আখতার (৩০) নামের ওই নারীকে। মোহাম্মদ আলতাফ নামের এক যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় তাকে। শাহিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনেন আলতাফ। এর পরই একাধিক ব্যক্তি শাহিনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তোলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আলতাফের বাড়ি উপত্যকার বুদগামে। ঘটকের মাধ্যমে শাহিনের সঙ্গে আলাপ হয় তার। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করেন তারা। একদিন সকালে উঠে দেখেন স্ত্রী গায়েব। সেই সঙ্গে গায়েব হয়েছে টাকা ও সোনার গয়না।

গত ৫ জুলাই শাহিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আলতাফ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা নেয় পুলিশ। এরপর ১৪ জুলাই শাহিনকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলে পুলিশ।

তদন্তকারীদের দাবি, সেদিনই আদালত চত্বরে জড়ো হন একদল যুবক। তাদের সবারই দাবি, শাহিন একইভাবে তাদেরকে ঠকিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত আলতাফ-সহ ১২ জন শাহিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছেন। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুসলিম রীতি অনুযায়ী, বিয়ের সময় পাত্রকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কনেকে দিতে হয়। এটাকে বলে দেনমোহর বা মোহরানা। শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রত্যেক বিয়েতেই মোটা অঙ্কের দেনমোহর নিতেন তিনি। আর বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই দেনমোহরের মোটা টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যেতেন। পরে আবার আরেকজনের সঙ্গে বিয়ে করতেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ