শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
1st Quarter Financial Statements of Shinepukur Ceramics Ltd. নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য - প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু হ্যান্ডহেল্ড গার্মেন্ট স্টিমারসহ নতুন পার্সোনাল কেয়ার ডিভাইস আনল শাওমি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৭ প্রাণহানি, পলাতক সেই বাসচালক গ্রেফতার আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
advertisement
বিনোদন

দেবশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন প্রসেনজিৎ

বিনোদন ডেস্ক : ‘আমি খারাপ হই, ভালো হই, মন্দ হই, দর্শক আমায় ভালোবাসে’, ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০ বছর কাটিয়ে দেওয়ার পরও তাঁর জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাঁটা পড়েনি। ‘দুই পাতা’ থেকে অভিনয়ের ক্যারিয়ার শুরু করার পর থেকে দর্শকই হয়ে ওঠেন তাঁর ‘অমর সঙ্গী’। কখনও প্রেম কখনও অ্যাকশন, নানা রূপে পর্দায় তিনি হয়ে উঠেছেন ‘মনের মানুষ’ কখনও আবার মসিহা। শুধু কি পর্দায়? না, বাস্তবেও ইন্ডাস্ট্রির অনেক ভারই তিনি তুলে নিয়েছেন কাঁধে। তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন ইন্ডাস্ট্রি। তবে তাঁকে ইন্ডাস্ট্রি বলায় তিনি মোটেও খুশি হন না, বরং তিনি বলেন, ‘আমি ইন্ডাস্ট্রি নই, আমি ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠপুত্র।’ ৬০-এও যিনি ফিটনেসে হার মানান ৩০শের যুবককে, তিনি সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কেরিয়ারের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে নানা মোড়। তবে ঘুরে দাঁড়ানো যিনি আত্মস্থ করেছেন, তিনি তো ফিরবেনই। ফিরেওছেন। অতীতকে সঙ্গী করেই এগিয়েছেন ভবিষ্যতের দিকে।

দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে তাঁর প্রথম প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ। অভিনেতা নিজেই বলেছেন, বিচ্ছেদের পর দেড় বছর নিজেকে গৃহবন্দি করেছিলেন তিনি। একসময় যেমন তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তেমনই জি ২৪ ঘণ্টার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ।

দেবশ্রী রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রথমত প্রথম প্রেম, প্রথম ভালোবাসার জায়গাটা সবসময় আলাদা হয়। দ্বিতীয়ত, আমি খুব কম বয়সে বিয়ে করেছিলাম। যদি আরও পাঁচ বছর পর বিয়ে করতাম, পরিণতভাবে তাহলে এই বিষয়গুলো সামলাতে পারতাম। কিন্তু আমি কখনও কোনও জায়গায় কাউকে দোষ দিইনি, সব দোষ আমার। বিয়ে ভাঙার পরে মনে হয়েছিল যে, আমি সকলের সামনে যাব কী করে? এই যে সবাই জানত যে আমাদের একে অপরের প্রতি প্রেম ছিল। তাহলে এখন সবাই ভাববে, আমাদের মধ্যে ভালোবাসা ছিল না। কেউ হয়তো বলবে না, কিন্তু মনে মনে হয়তো এটাই ভাববে যে আমি ভালোবাসতে পারিনি। এটা আমায় লজ্জা দিত। এটা মনে মনে আমায় কষ্ট দিত, অভিমান হত। তাই লোকের সামনেও যেতাম না। প্রায় দেড় বছর নিজেকে ঘরবন্দি করে ফেলেছিলাম। সেই সময় বন্ধু বান্ধব থেকে শুরু করে পরিচালক, ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই আমায় বারবার বলত এটা লাইফ নয়। তরুণ মজুমদারও বলেছিলেন এটাকে প্রশ্রয় দিও না।’

কিন্তু এরপর? কখনও কী মনে হয়েছে, দেবশ্রীর সঙ্গে কথা বলা যেত? এই প্রশ্নের জবাবে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আজকের দিনে দেখা হলে তো কোনও ব্যাপারই নয়। আমি সবসময় ওকে সম্মান দিয়েছি। আমি সবসময়ই বলি যে, আমাদের সময়ের সেরা অভিনেত্রী ও। এটা আমি বারংবার বলেছি। এখন আমরা বন্ধু হতেই পারি। অনেক বছর কেটে গেছে, মিশুকেরও বান্ধবী হয়ে গেছে। তাহলে কেন নয়?’ সূত্র-জিনিউজ।

আরও পড়ুন:

অভিনেত্রী আঁখির শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে

৫০০ কোটির ক্লাবে শাহরুখের ‘পাঠান’

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ