শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই আসছে নতুন আইন: আইজিপি বগুড়ায় এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোগে ৩ হাজার প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু মমেক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দ্রুত তদন্তের নির্দেশ ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫ শুরু - প্রথম দিনেই ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি পণ্য ফ্রি পেলেন খুলনার গৃহিণী শতরূপা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর - দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর ফ্যাসিষ্ট আ'লীগ ও ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা মৃত্যুপুরীতে ৪৯১ দিন - নিজের হাতে পা কেটে ও ড্রোনে ঝুলে অলৌকিক জীবন জয় ইউক্রেনীয় সেনার ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য চীনে চালু হলো ‍‘গ্রিন চ্যানেল’
advertisement
বিনোদন

কালো হয়েও মিঠুন পেলেন সর্বোচ্চ সম্মান

বিনোদন ডেস্ক : ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কালো রং চলবে না’, এটাই ছিল ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সিদ্ধান্ত। মিঠুন চক্রবর্তীকে অভিনেতা হওয়ার চিন্তা বাদ দিতে বলা হয়েছিল। চল্লিশ বছর পর তার হাতেই তুলে দেওয়া হলো অভিনয়ে অনবদ্য অবদানের সম্মান।

গত মঙ্গলবার দিল্লির বিজ্ঞানভবনে ছিল ৭০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। সেরা অভিনয়শিল্পীদের হাতে পুরস্কারের স্মারক তুলে দেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর, মণি রত্নম, মনোজ বাজপেয়ী, এ আর রহমান, প্রীতম, ঋষভ শেঠিসহ ভারতের চলচ্চিত্র জগতের সব ডাকসাইটে তারকারা। ওই অনুষ্ঠানেই ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে গ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী।

সেদিন কিছুটা অসুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে মিঠুনকে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মিঠুন এদিন বাঙালির পোশাক ধুতি-পাঞ্জাবি পরে উপস্থিত হয়েছিলেন ওই আয়োজনে।

মিঠুন বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে যখন এলাম, লোকে বলতো, এখানে তোমার কী? রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় লোকে কালিয়া বলে ব্যঙ্গ করতো। আমি ভাবতাম, কী করব? ভগবানকে বলতাম, কী করব? গায়ের রং তো পাল্টাতে পারব না! তখন ভাবলাম, আমি তো নাচতে পারি। এমনভাবে নাচব, যাতে লোকে আর গায়ের রঙের দিকে তাকানোর সময় না পায়। সেই থেকে পা থামতে দিইনি। লোকে তখন আমার গায়ের রঙের কথা ভুলে গেল। আমি হয়ে গেলাম সেক্সি, ডাস্কি বাঙালি বাবু।’

১৯৭৬ সালে মৃণাল সেন পরিচালিত ‘মৃগয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হয় মিঠুন চক্রবর্তীর। প্রথম চলচ্চিত্রেই বাজিমাত করেন তিনি, সেরা অভিনেতা হিসেবে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৮২ সালে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ছবিতে দারুণ সাফল্য পান মিঠুন চক্রবর্তী। ভারতসহ বিশ্বব্যাপী ব্যবসা করে সিনেমাটি। এই সিনেমার মাধ্যমে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ হিসেবে খ্যাতি পান মিঠুন চক্রবর্তী। এরপর বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তিনবার পেয়েছেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ