মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
বিনোদন

বাবা ছেড়ে চলে যান, অভাবে-কষ্টে নিজের লড়াই চালিয়েছেন ‘মা’খ্যাত ঝিলিক

বিনোদন ডেস্ক : টালিউডের বাংলা ধারাবাহিকের ইতিহাসে অন্যতম আইকনিক সিরিয়াল ‘মা’। ছোট্ট মেয়ে ঝিলিকের শৈশবে হারানো মাকে খোঁজার গল্প এই ধারাবাহিক। ছোট্ট ঝিলিকের চরিত্রে দর্শকের মনে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী তিথি বসু। সেদিনের ছোট্ট তিথি এখন যুবতী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর কেরিয়ার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের কথাও শেয়ার করেন তিথি। এবার তাঁর ছোটবেলার কাহিনী শেয়ার করলেন তিথি।

ধারাবাহিকে যেমন ছোট বয়সে মাকে হারিয়েছিল ঝিলিক, সেরকমই অনেকটা ছোট বয়সেই তাকে ও তার মাকে ছেড়ে চলে যায় তার বাবা। সম্প্রতি জোশ টকস নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে নিজের জীবনের কঠিন সময় নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী।

তিথি জানান, আমি যখন দশম শ্রেণীতে পড়েন তখন হঠাৎ করেই তার বাবা তাদের পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। বাবা চলে যাওয়ার যন্ত্রনার পাশাপাশি লোকের নানাবিধ কথা সহ্য করতে হয়েছিল কিশোরী তিথি। সেই সময় আবার তার সামনে ছিল জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা, মাধ্যমিক। কিন্তু সেই সময় সংসারের দায়িত্বও নিতে হয়েছিল তাকে। বাড়ির ইলেকট্রিক বিল মেটানো থেকে শুরু করে কী রান্না হবে, কী বাজার হবে, সবটাই একা হাতে সামলাতেন তিথি।

শুধু সংসারই নয় মাকেও সামলেছিলেন ছোট্ট তিথি। স্বামী চলে যাওয়াতে তিনি একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন। সবকিছু তিথিকেই ব্যবস্থা করতে হত। একা হাতে মাকে সামলেছেন। গ্রাস করেছিল দারিদ্রতাও। নুন-ভাত খেয়ে স্কুলে গিয়েছেন, এরকম দিন কাটিয়েছেন তিনি। তবে বাবা ছিল না বলে তিনি কিন্তু ভেঙে পড়েননি তিথি। দ্বাদশ শ্রেণীতে তিনি ৯০ শতাংশ নম্বর নিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দেন। মা-এর সাফল্যের পর অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন যে তিথির হাতে অনেক টাকা, অনেক সুযোগ এসেছে আসলে বাস্তবটা ছিল একেবারেই উল্টো। অনেক অভাব ও কষ্টের মধ্যে দিয়েই বড় হয়েছেন তিথি।

অভিনেত্রী বলেন, অনেকেই বলেছে এই মেয়েটার আর কিছু হবে না। কিন্তু সকলের মুখ বন্ধ করে দিয়ে তিথি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। সূত্র-জিনিউজ।

আরও পড়ুন:

‘কালো বলে আমাকেও রং মাখিয়ে সাদা করা হয়েছিল’!

রিয়াজের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

ইত্যাদিতে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে নারী ফুটবল ও ক্রিকেট দল

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ