বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ছেলেকে বেঁধে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ - অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে দিনে ভাংচুর, রাতে আগুন পাসপোর্ট হারালে বা নষ্ট হলে নতুন নিয়ম - দ্বিতীয়বার থেকে দিতে হবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা জেএমআই সিরিঞ্জসের শেয়ার অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন নভেম্বরে প্রকাশ পেতে পারে এইচএসসির ফলাফল জ্বালানি তেল কিনতে ৬ মাসে অতিরিক্ত খরচ ২৩ হাজার কোটি টাকা শিবপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধন পুনরুজ্জীবিত হবে: মঈন খান মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক - বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়কমন্ত্রী
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

ভিকারুননিসার প্রথম শ্রেণীর ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলই থাকছে: হাইকোর্ট

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তি করা প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল থাকবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার (২১ মে) দুটি রিটে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক–আল–জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম শুনানি করেন। রিট আবেদনকারী দুজন অভিভাবকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম সরদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

রিট আবেদনকারী ১৩৬ জন অভিভাবকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান ও সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খুররম শাহ মুরাদ।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি-ইচ্ছুক দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। তার ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই আদেশ মতে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের আগে জন্ম নেওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। এসব ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৫ সালে জন্ম নেওয়া ১০ জন ও ২০১৬ সালে জন্ম নেওয়া শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৫৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে শিগগিরই মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হলো।

এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের পর এখন অপেক্ষমান তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নিতে গত ৬ মার্চ নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাতিল করা শিক্ষার্থীর অভিভাবক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। ২০ মার্চ আপিল বিভাগ হাইকোর্টে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেন। এই সময় পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল ও অপেক্ষমানদের ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ভর্তি বাতিল হওয়া ১৩৬ শিক্ষার্থীর পক্ষে অপর একটি রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন। পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে গত রোববার শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করা হয়।

রায়ের পর সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জানান, ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ