মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা টোল ফ্রি ৪ দিন গ্যাস থাকবে না এমন খবর গুজব, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার তাহসিফ সাউরির বন্ধু দীপ ফের ৩ দিনের রিমান্ডে স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনকে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করল এনসিসি ব্যাংক এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পিবিআইএল ও আইইউবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, ১ লাখ টাকা নেওয়ার সময় দুদকের ফাঁদে সার্ভেয়ার
advertisement
সম্পাদকীয়

নির্বিঘ্ন হোক হজযাত্রা

আমাদের দেশে প্রায় প্রতিবছরই হজযাত্রীদের নানা রকম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। অনেকেই হজ এজেন্সিগুলোর প্রতারণার শিকার হন। অনেকে হজক্যাম্পে অবস্থান করেও হজে যেতে পারেন না, চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বাড়ি ফিরে যান।

গত বছরও তেমন চিত্র আমরা দেখেছি। আবার অনেকে যেতে পারলেও অত্যন্ত বাজে ব্যবস্থাপনার কারণে নানামুখী দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন। এজেন্সিগুলো তাদের লাভের অঙ্ক বাড়াতে গিয়ে দূরবর্তী স্থানে নিম্নমানের বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে। বয়স্কদের পক্ষে সেখান থেকে আসা-যাওয়া প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

হজযাত্রীদের সহায়তা করার জন্য সরকারিভাবে বেশ বড়সড় একটি প্রতিনিধিদল সরকারি খরচে পাঠানো হয়। অভিযোগ আছে, তারা হজযাত্রীদের কোনো কাজেই আসে না। হজের আনুষ্ঠানিকতায় কিছু ভ্রমণ করতে হয় এবং এ জন্য গাড়ির দরকার হয়।

জানা যায়, মুনাফার অঙ্ক বাড়াতে এখানেও অত্যন্ত নিম্নমানের গাড়ি ভাড়া করা হয়। হজের এমন অব্যবস্থাপনা প্রবিছরের চিত্র হলেও তা বদলানোর কোনো চেষ্টা দেখা যায় না। আজ থেকে শুরু হলো হজফ্লাইট। 

গত বছর বাংলাদেশ বিমানের শিডিউল বিপর্যয় বড় শঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছিল। প্রথম দিকে বিমানে যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। শেষ দিকে সৌদি আরব বিমানের জন্য অতিরিক্ত স্লট বরাদ্দ করায় কোনো রকমে পরিস্থিতি সামলানো গিয়েছিল। কিন্তু এ বছর তারা জানিয়ে দিয়েছে, কোনো অতিরিক্ত স্লট বরাদ্দ করা যাবে না। অথচ জানা গেছে এখনো বিমানের প্রায় ১৪ হাজার টিকিট অবিক্রীত রয়ে গেছে। ফলে এ বছরও শেষ দিকে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানা গেছে, এখনো অনেক হজযাত্রীর ভিসা হয়নি। এটিও জটিলতার একটি বড় কারণ হতে পারে।

প্রতিবছর লক্ষাধিক হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করতে যান। তাদের মধ্যে শহরের মানুষ যেমন থাকেন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষও থাকেন, যাদের হজের আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা থাকে না। সরল বিশ্বাসে তারা হজ এজেন্সিগুলোর হাতে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ তুলে দিয়ে তাদের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকেন। সেই এজেন্সিগুলো যদি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে কিংবা প্রতারণা করে, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এ ধরণের প্রতারণা ঠেকানো। প্রতারক হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া। 

আশা করবো বিগত বছরগুলোর ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এবারের হাজীদের হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে সরকার। 

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ