বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
অর্থ-বাণিজ্য

সব ব্যাংকে বাংলা কিউআর অ্যাপ চালুর নির্দেশ

রাজস্ব বাড়াতে চলতি বছরের জুনের মধ্যেই দেশের সব ব্যাংককে বাংলা কিউআর অ্যাপস ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
 
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিজনেস এডিটরদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান তিনি। 
 
গভর্নর জানান, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে, এ ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে আর সুযোগ দেওয়া হবে না।
 
ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ কমাতে প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভালোভাবে যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
 
বাংলা কিউআর কোড চালুর মাধ্যমে নগদবিহীন লেনদেন বৃদ্ধি পাবে এবং রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
 
জানা গেছে, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট, মুদির দোকান বা যেকোনো ধরনের খুচরা বিক্রেতা এবং নিম্ন, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত, সব রকমের ক্রেতাদের জন্য স্পর্শবিহীন এই আধুনিক পেমেন্ট সিস্টেম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ক্রেতারা ক্যাশ অথবা কার্ড স্পর্শ না করে সহজ এবং সুবিধাজনকভাবে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারবেন। যেসব ব্যাংক তাদের মোবাইল অ্যাপে বাংলা কিউআর সংযোজন করেছে এবং ভিসা দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে, সেসব ব্যাংকের ভিসা কার্ড দিয়ে এখন থেকে ক্রেতারা বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পেমেন্ট করতে পারবেন।
 
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত দেশের জাতীয় কিউআর হচ্ছে বাংলা কিউআর। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে ব্যাংকের অ্যাপের মাধ্যমে ক্রেতারা ডিজিটালি পেমেন্ট করতে পারবেন। এই লেনদেনে টাকা স্পর্শ করার কোন প্রয়োজন নেই, তাই এটিকে বলা হচ্ছে স্পর্শবিহীন প্রযুক্তি। এই পদ্ধতিতে লেনদেন হবে দ্রুত এবং সুরক্ষিত। বাংলা কিউআর-এর এই সুবিধা নিতে উদ্যোক্তা, দোকানদার বা খুচরা বিক্রেতাদের কোনো ধরনের মেশিন বা যন্ত্রের প্রয়োজন নেই।
 
বাংলা কিউআরের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার বা ক্যাশিয়ারের মোবাইলে পেমেন্ট কনফার্মেশনের এসএমএস চলে আসবে এবং একটি মার্চেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে দোকানের মালিক তার দিনের সব লেনদেন দেখতে পারবেন। এই অ্যাপে উদ্যোক্তা, দোকানদার বা খুচরা বিক্রেতাদের জন্য থাকবে আরো অনেক ধরনের সেবা গ্রহণের সুবিধা যেমন- ডিজিটাল হালখাতা, ডিজিটাল সেবা বিক্রয় এবং সরবরাহকারী, পাইকারি বা পরিবেশকের পেমেন্ট ইত্যাদি।

এই সম্পর্কিত আরো