রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল ও পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি আশা ভোসলে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায়‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের টিকিটে আরও দামি ক্যাটাগরি যোগ করল ফিফা নৈতিক চিকিৎসক তৈরির তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, জেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার আইসিইউ বগুড়া ও শেরপুরের বিজয়ী ২ এমপির গেজেট প্রকাশ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় ইরানের সঙ্গে কোন সমঝোতা হয়নি: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল আইএফআইসি ব্যাংকের “উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬-খুলনা অঞ্চল” অনুষ্ঠিত
অর্থ-বাণিজ্য

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা ফিরতে শুরু করেছে

কর্পোরট সংবাদ ডেস্ক: শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অনেক ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে পরিবর্তন এসেছে। দুর্বল ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বর্তমানে ভালো ব্যাংকে জমা রাখছে মানুষ। এতে কোনো কোনো ব্যাংকের ভল্ট খালি হলেও অনেক ব্যাংকে টাকা রাখার জায়গা নেই। অনেক শাখা সীমার বেশি টাকা জমা পড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিচ্ছে অনেক শাখা। গেল পাঁচদিনে বিভিন্ন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে দুই হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা জমা করেছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ভল্টের একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি টাকা এলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেষ্ট শাখায় জমা করতে হয়। সরকার পতনের পর কয়েকদিন নিয়মিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা নিচ্ছিল ব্যাংকগুলো। তবে গেল সপ্তাহের পাঁচ দিনে যত টাকা নিয়েছে, জমা করেছে তার চেয়ে বেশি।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা হয় ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। গত ১৮ আগস্ট তা ছিল ১০ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। এর বিপরীতে নোটস ইন সার্কুলেশন বা প্রচলনে থাকা টাকার পরিমাণ কমে গতকাল ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৬৯ কোটিতে নেমেছে। গত ১৫ আগস্ট তা ছিল তিন লাখ ২২ হাজার ৬১ কোটি টাকা।

এর আগে সরকার পতনের পরদিন গত ৬ আগস্ট কারেন্সি ইন সার্কুলেশন ছিল তিন লাখ ১৫ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। আর সরকার পরিবর্তনের পর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ৯ দিনে মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ বেড়ে যায় ৬ হাজার ৫২২ কোটি টাকা।

জানা গেছে, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন উপায়ে অর্জিত অর্থ নানা উপায়ে অনেকেই ঘরে রেখেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের পর তাদের বেশির ভাগই পলাতক থাকায় ঘরে টাকা রেখে তাদের কেউ কেউ এখন বিপদে আছেন। নিরাপদ বোধ না করায় বিভিন্ন উপায়ে তারা ভালো ব্যাংকে টাকা জমা রাখছেন।

আবার সরকার পতনের পর থেকে বড় অঙ্কের নগদ টাকা তুলতে পারছে না মানুষ। এর কারণ, সরকার পতনের প্রথম সপ্তাহে দিনে সর্বোচ্চ এক লাখ, দ্বিতীয় সপ্তাহে দুই লাখ এবং তৃতীয় সপ্তাহে তিন লাখ টাকা নগদ উত্তোলনের সীমা বেধে দেয়া হয়। এ কারণে খারাপ অবস্থার ব্যাংক থেকে অনেকেই বড় অঙ্কের আমানত তুলতে পারছে না। বিশেষ করে এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, বাংলাদেশ কমার্স ও ইউনিয়ন ব্যাংকের বিপুল অঙ্কের পে-অর্ডার নগদায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও কারফিউর কারণে ব্যাংক থেকে অনেকেই টাকা তুলে নিচ্ছিল। এখন স্থিতিশীলতা ফেরায় ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। আবার বাসায় টাকা রাখা অনেকেই নিরাপদ মনে করছে না। ব্যাংকগুলোও আমানত বাড়াতে প্রচুর চেষ্টা করছে। সব মিলিয়ে আবার টাকা ফিরতে শুরু করেছে।

এই সম্পর্কিত আরো

সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল ও পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালে ভর্তি আশা ভোসলে

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায়‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপের টিকিটে আরও দামি ক্যাটাগরি যোগ করল ফিফা

নৈতিক চিকিৎসক তৈরির তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, জেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার আইসিইউ

বগুড়া ও শেরপুরের বিজয়ী ২ এমপির গেজেট প্রকাশ

২১ ঘণ্টার আলোচনায় ইরানের সঙ্গে কোন সমঝোতা হয়নি: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল

আইএফআইসি ব্যাংকের “উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬-খুলনা অঞ্চল” অনুষ্ঠিত