বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
জুন মাসে রপ্তানি আয় বাড়ল ২৫.৯১ শতাংশ: ঘুরে দাঁড়ানোর পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর শুক্রবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নারীসহ আটক হওয়ার ঘটনায় পদ হারালেন যুবদল নেতা প্রাথমিকে কাটল ৯ বছরের জট - ৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ৩৮ হাজার: শিক্ষামন্ত্রী ২০ পদে ২৫১ জনকে নিয়োগ দেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১০০ জনকে চাকরি দেবে প্রাণ গ্রুপ এনআরবিসি ব্যাংকে  মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা - দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, বাবা-চাচার ৭ বছরের কারাদণ্ড সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট : সিপিডি

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : নানা আর্থিক অনিয়মের কারণে ব্যাংকিং খাতে ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪ : চলমান সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

image-41

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ঋণ, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে ঋণ, অর্থ লোপাটসহ নানান আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে যে স্ক্যাম বা অনিয়মগুলো হয়, সেগুলো অফিসিয়াল সূত্রে পাওয়া যায় না। সেগুলো সংবাদমাধ্যমে আসে। গণমাধ্যমকর্মীরা সেগুলো হয়তো অফিসিয়াল সূত্রেই আনেন। এগুলোকে কম্পাইল করেছি দেখার জন্য। ২০০৮-২৩ সাল পর্যন্ত গণমাধ্যমে ২৪টি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। এসব ঘটনায় ৯২২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন টাকা বা ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ বা অপচয় হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশাল এ অর্থ দিয়ে কী হতে পারে সেটা আপনারা হিসাব করতে পারেন। আপনারা হিসাব করতে পারেন আমাদের রাজস্ব ঘাটতি কত। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কত ব্যয় হচ্ছে, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে কত ব্যয় করছি। এই পরিমাণ টাকা দিয়ে আমরা কী করতে পারতাম।

তিনি আরও বলা হয়, অর্থনীতি অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। যা কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। নীতি নির্ধারকদের প্রধান কাজ হওয়া উচিত বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা।

এসময় মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ