মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
পদ্মা ব্যারেজ, দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা টোল ফ্রি ৪ দিন গ্যাস থাকবে না এমন খবর গুজব, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার তাহসিফ সাউরির বন্ধু দীপ ফের ৩ দিনের রিমান্ডে স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনকে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করল এনসিসি ব্যাংক এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পিবিআইএল ও আইইউবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

ন্যাশনাল ব্যাংকের ৯০০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৯০০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায় করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক।

তিনি বলেন, চলতি বছরের বাকি সময়ের মধ্যে আরও ৪০০ কোটি টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া চলমান। আশা করি, আগামী ৩ মাসের মধ্যে একটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ব্যাংকটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তৌহিদুল আলম খান, পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তার মাধ্যমে পরিচালিত প্রথম ব্যাংক বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক। অ্যাসেট রিকভারি, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং রেমিট্যান্স বাড়ানোর চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, এই কঠিন সময়েও আমাদের ব্যাংক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত গার্মেন্টস শিল্প ও কারখানাগুলোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বিশেষত এলসি সুবিধা প্রদানসহ গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশােধ নিশ্চিত করায় ন্যাশনাল ব্যাংক সদা সচেষ্ট। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও ন্যাশনাল ব্যাংক যথেষ্ট সচেষ্ট। ফলে সাম্প্রতিক সময়েও রেমিট্যান্সে ন্যাশনাল ব্যাংকের অবস্থান দৃঢ় রয়েছে।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ন্যাশনাল ব্যাংকের অনিয়ম ছিল বহুমাত্রিক ও বহুপাক্ষিক। নিয়ম বা অনিয়ম যেভাবেই ঋণ দেওয়া হোক, অনাদায়ী ঋণ আদায় আমাদের লক্ষ্য। তবে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার ৩ মাসের মধ্যে কোনো অনিয়ম হয়নি, আগামীতেও হবে না। অনিয়মের টাকা উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি। ৫টি টিম কাজ করছে, দেশের বাইরে থেকেও অডিট কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক ব্যাংকের ওপর আস্থা না থাকায় গ্রাহক অন্য ব্যাংকে চলে যাচ্ছে, এটা আমাদের ক্ষেত্রেও দেখেছি। আস্থা রাখুন, তিন মাস পর ভালো কিছু দেখা যাবে। গ্রাহকদের কোনো কোনো ব্যাংকের প্রতি আস্থা নেই। কারণ মানুষের বেতন যা বেড়েছে তার চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এতে অনেক গ্রাহক সঞ্চয় ভাঙছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় আমরা সেই আস্থা ফেরানোর কাজ করছি।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ