বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
শিরোনাম
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব বাজেট ২০২৬-২৭ - ৬০ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ দাম কমবে যেসব পণ্যের
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩.৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ব্যয়ের কাঠামোয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে পরিচালন ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার ধীরে ধীরে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করছে। সে অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন ব্যয় ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ২৭.২৭ শতাংশ।

একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ের অংশ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয়ের ৭২.৭৩ শতাংশ পরিচালন খাতে ব্যয় হলেও আগামী অর্থবছরে তা কমিয়ে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটিই প্রথম বাজেট। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র মহাসড়কে এগিয়ে নেওয়া।

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ