বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
৫ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য ২৫ লাখ টাকা দেবে অ্যাডফা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের চুক্তি বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা ইসলামী ব্যাংক-মাস্টারকার্ডের ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন‘ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে জাইকার ১২ রেসকিউ স্পিডবোট হস্তান্তর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ উদ্বোধন শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালীতে ব্রাককর্মী-শিশুসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার চা শ্রমিকদের মধ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ
advertisement
সারাদেশ ও রাজনীতি

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের বাদশা ঘোনায় পাহাড় ধসে গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আনোয়ার হোসেন ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাইমুনা আক্তার।

শুক্রবার (২১ জুন) ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে এঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ওসমান সরওয়ার টিপু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেছি। তবে এটা আমার এলাকার মধ্যে পড়েনি। ১০ নং ওয়ার্ডের আওতায় পড়েছে।

১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির বলেন, আমার এলাকায় পাহাড় ধসে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রতিবেশী এবং স্বজনেরা জানিয়েছেন, রাতভর বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ভোররাতে পাহাড় ধসে পড়ে। তখন ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশকে বারবার কল করা হলেও কয়েকঘন্টা চেষ্টা করেও কেউ সাড়া দেয়নি। পরে স্থানীয়রা মাটি কেটে তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করে।

জানা গেছে, নিহত আনোয়ার হোসেন বাদশা ঘোনা ওমর ফারুক জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম। তার সাথে ৭ মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাইমুনা। তাদের এই অকাল মৃত্যুতে শোকাভিভূত বাদশা ঘোনা এলাকার মানুষ এবং তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

এদিকে, কয়েকদিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে কক্সবাজারে। বুধবার (১৯ জুন) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ১০ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ২ জন স্থানীয় এবং ৮ জন রোহিঙ্গা রয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ