ময়মনসিংহের ফুলপুরে নাবালিকা স্কুল ছাত্রী (১৩) কে ধর্ষণপূর্বক আত্মহত্যায় প্ররোচনার প্রধান অভিযুক্ত আসামী মোঃ রুবেল মিয়া (৪০)কে মামলা রুজুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪।
অপরদিকে পৃথকস্থানে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি (১৬) কে ধর্ষণ মামলার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মোঃ কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিন (৫৮) কে জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজলার উচাখিলা থেকে গ্রেফতার করে।
বুধবার (১ এপ্রিল) প্রেসব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব- ১৪এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ নয়মুল হাসান।
তিনি জানান, ভিকটিম তার বাবা-মা এবং দাদীর সাথে ফুলপুরে নিজ বাড়ীতে বসবাস থাকতেন। আসামী রুবেল মিয়া ভিকটিমের প্রতিবেশী। গত ২৯ মার্চ আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে ভিকটিম নিজ বাড়ি থেকে বাহিরে যায় এবং ফিরে এসে ঘরের ভিতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অসুস্থতার বিষয়ে তার দাদীর কাছে বলেন, রুবেল মিয়ার বাড়ি থেকে আমি কীটনাশক খেয়ে এসেছি, রুবেল আমার সর্বনাশ করেছে, ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে, এই মুখ কাউকে দেখাবোনা।
সাথে সাথে ভিকটিমকে দ্রুত ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ মার্চ রাত অনুমানিক ৪ টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মামলার প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩১ মার্চ রাত অনুমানিক আড়াইটার দিকে ফুলপুর থানার রামভদ্রপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত মোঃ রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অপর আভিযানিক দল ৩১ মার্চ দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার বুদ্ধি প্রতিবন্ধি (১৬) কে ধর্ষণ মামলার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মোঃ কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিন (৫৮) কে জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজলার উচাখিলা থেকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান অধিনায়ক।