বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ছেলেকে বেঁধে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ - অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে দিনে ভাংচুর, রাতে আগুন পাসপোর্ট হারালে বা নষ্ট হলে নতুন নিয়ম - দ্বিতীয়বার থেকে দিতে হবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা জেএমআই সিরিঞ্জসের শেয়ার অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন নভেম্বরে প্রকাশ পেতে পারে এইচএসসির ফলাফল জ্বালানি তেল কিনতে ৬ মাসে অতিরিক্ত খরচ ২৩ হাজার কোটি টাকা শিবপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধন পুনরুজ্জীবিত হবে: মঈন খান মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক - বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়কমন্ত্রী
advertisement
সারাদেশ

হারিয়ে যাচ্ছে হাতে বুনা তাঁতশিল্প; আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে কর্মপদ্ধতি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর উপজেলা তাঁতশিল্প সমৃদ্ধ একটি উপজেলা। এ উপজেলার প্রায় ৭৫% মানুষ কোনো না কোনোভাবে তাঁতশিল্পের সাথে জড়িত। তবে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে কর্মপদ্ধতি, বদলে গেছে জীবনমান।

এ অঞ্চলের পুরুষ থেকে নারী, শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই তাঁতি পেশার সাথে সম্পৃক্ত এবং অধিকাংশ ব্যবসা তাঁতিদের তৈরি কাপড়ের ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। তাঁতিদের কাপড় তৈরির সবচেয়ে বড় ঐতিহ্য ছিল কাঠের তৈরি তাঁতে হাতে বুনিয়ে কাপড় তৈরি করা। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় এগুলো এখন বিলুপ্তপ্রায়। বর্তমান সময়ে বিদ্যুৎ চালিত তাঁতশিল্প তাঁতিদের কাছে অধিক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এতে অনেক উন্নতমানের কাপড় লুঙ্গি-শাড়ি তৈরি হওয়ার দেশ ও বিদেশে প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি মেশিনের কারনে অনেকে হারিয়েছে কর্মসংস্থান। আগেকার সময়ে একটি কাঠের তৈরি তাঁতে একজন শ্রমিক কাজ করতো আর বর্তমান সময়ে বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি পাওয়ারলুম নামক মেশিনে একজন শ্রমিক দুইটি মেশিনে কাপড় তৈরি করে থাকে। এতে নিম্নবিত্ত মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়লেও লাভবান হচ্ছে বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি পাওয়ারলুম নামক মেশিন তৈরিকৃত কাপড় ব্যবসায়ীরা।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী গ্রামের তাঁত শ্রমিকরা বলেন, আগের তুলনায় এখন ইনকাম বেশি হচ্ছে। কারণ তারা দুইটি মেশিনে কাপড় তৈরি করছে একজন শ্রমিক। তবে বাজার সকল কিছুর মূল্যের তুলনায় তাদের মজুরি কম বলে জানান তাঁত শ্রমিকরা।

এ ব্যাপারে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ীরা জানান, আগের তুলনায় এখন কাপড় উৎপাদনে খরচ বেরেছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে তারা লাভবান হতে পারছেন না বলে জানান। তারা বলেন, আগেকার দিনের কাঠের তৈরি তাঁতে উন্নতমানের কাপড় তৈরি সম্ভব না।

তাঁত মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উৎপাদন খরচ বেশি আমাদের কিছুই থাকে না বাজারে গেলে কাপড় বিক্রি করতে পারি না সব কিছুর দাম বেশি। খরচ বেশি হলেও কিছু করার নেই আমাদের।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ