শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
২২ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত : - যাত্রীদের জন্য ‘বিকল্প ট্রেন’ যশোরে সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ-ঈদগাহ ময়দান জামাতের জন্য প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্রে এবারও ৩ হাজারের বেশি খোলা মাঠে ঈদ জামাতের প্রস্তুতি স্টেট ডিপার্টমেন্টের ঘোষণা: - আরও ১২ দেশের নাগরিকদের জন্য ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড নির্ধারণ নোয়াখালীতে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু, আহত ২ বগুড়ায় দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধপরিস্থিতি: - ঢাকায় আজও ২৬ ফ্লাইট বাতিল ঝিনাইদহে তিন যুগ পর নির্মাণ হচ্ছে সাধুহাটী-বংকিরা সড়ক
সারাদেশ

৫ চিকিৎসকে দিয়ে চলছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি: পাঁচ চিকিৎসকে চলে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ২২ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও এ হাসপাতালে রয়েছেন মাত্র ৭ জন। এরমধ্যে আবার একজন বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এবং আরেকজন যশোর জেলা সিভিল সার্জন অফিসে দায়িত্বে রয়েছেন।

এছাড়াও সার্জারি যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, অপরিচ্ছন্নতা, ওয়ার্ডে পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা, ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত বাথরুমসহ নানা সমস্যা রয়েছে হাসপাতালটিতে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে প্রায় দু’কোটি টাকা মূল্যের দুটি অপারেশন থিয়েটার।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৬২ সালে নির্মিত হয় এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। উপজেলার ১১ ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও বেনাপোল স্থলবন্দরের অন্তত চার লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও সেবার মান বাড়েনি। দেওয়া হয়নি চাহিদামতো জনবল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালে ২২টি মেডিকেল কর্মকর্তার পদ থাকলেও খাতা-কলমে রয়েছেন ৭ জন। হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন ৫ জন। বাকি ২ জন অন্যত্র ডিউটিতে থাকেন। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী থাকার কথা ৭৭ জন। সেখানে মাত্র ৩৫ জন কাজ করছেন। ২২ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও আছেন ১০ জন।

এই হাসপাতালে প্রতিদিন তিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। ভর্তি হন ৩৫-৪০ জন। চিকিৎসা দিতে না পারায় বেশিরভাগ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এদিকে হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি মাঝেমধ্যে ঠিক হলেও ফিল্ম থাকে না। দুটি অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চিকিৎসকের অভাবে অব্যবহৃত পড়ে থাকে বছরের পর বছর। প্যাথলজি বিভাগ থাকার পরও পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের গ্রাম থেকে জাহানারা খাতুন জানান, জরুরি বিভাগ থেকে ডাক্তার কয়েকটি পরীক্ষা দিয়েছেন। সেগুলো বাইরে থেকে করিয়ে আনতে বলেন। আমরা গরিব মানুষ। টাকা দিয়ে বাইরে থেকে টেস্ট করানোর অবস্থা নেই। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি ও ডাক্তার থাকলে আমাদের খুবই উপকার হতো।

অসুস্থ মাকে নিয়ে হাসপাতালে আসা সেলিনা আক্তার বলেন, সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালে এসেছি। সাড়ে ১১টা বাজলো। এখনও আমার রোগী দেখলো না। সেবা নিতে এসে আমরা সেবা পাচ্ছি না।

বেনাপোলের সাহিদুল ইসলাম (রোগী) জানান, পায়ের ক্ষত নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান। সার্জারি বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মাহফুজা খানম জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানো হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসক, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকট রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদে জনবল পূরণ হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব।

এই সম্পর্কিত আরো

২২ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত : যাত্রীদের জন্য ‘বিকল্প ট্রেন’

যশোরে সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ-ঈদগাহ ময়দান জামাতের জন্য প্রস্তুত

যুক্তরাষ্ট্রে এবারও ৩ হাজারের বেশি খোলা মাঠে ঈদ জামাতের প্রস্তুতি

স্টেট ডিপার্টমেন্টের ঘোষণা: আরও ১২ দেশের নাগরিকদের জন্য ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড নির্ধারণ

নোয়াখালীতে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু, আহত ২

বগুড়ায় দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধপরিস্থিতি: ঢাকায় আজও ২৬ ফ্লাইট বাতিল

ঝিনাইদহে তিন যুগ পর নির্মাণ হচ্ছে সাধুহাটী-বংকিরা সড়ক