বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
মৌসুমের আগেই তরমুজের কেজি ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি ৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন রমজান ও ঈদে আইএফআইসি কার্ডের স্পেশাল অফার বাংলাদেশ-চীন স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: - ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার ছাত্রলীগ করাই নিজ সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার ও সেহরি কেমন হবে? জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান করল সিটি ব্যাংক রায়গঞ্জে সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫ সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে সিইও নিয়োগ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সারাদেশ

বন্যার পানি স্থায়িত্বতে জনজীবন বিপর্যস্ত হাওর পাড়ের মানুষের

তিমির বনিক, স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজারের বড়লেখার তালিমপুর ইউনিয়নের হাকালুকি হাওরপারের বন্যাদুর্গত মানুষের চরম দূর্ভোগে দিনাতিপাত নির্বাহ করছে। কারণ বন্যা পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততো তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

এলাকাবাসীর বরাতে তালিমপুর ইউনিয়নের বন্যা কবলিত কয়েকটা এলাকার পরিস্থিতিতে দেখা গেছে, অনেকের বাড়িঘর এখনও পানিতে ডুবে আছে। কারও ঘরের চারপাশের মাটি সরে গেছে। কারও ঘর কোন রকম সাড় দাঁড়িয়ে আছে। কেউ কেউ আফালের সাথে লড়াই করে ঘর বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

পশ্চিম গগড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, ঘরের চারদিকে পানি। কষ্ট করে ঘরে আছি। আশ্রয় কেন্দ্রে যাইনি। আশ্রয় কেন্দ্রে গেলে ঘর আফালে ভেঙে যাবে। তাই ঝুঁকি নিয়ে আফালের সাথে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। এলাকার মানুষজন জানান, বন্যা পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়ীত হচ্ছে, তাদের দুর্ভোগ তত বাড়ছে। তারা অনেক কষ্ট করে দিনযাপন করছেন। তারা কীভাবে সংসার চালাবেন। কীভাবে ঘর-দোয়ার মেরামত করবেন-এসব চিন্তা তাদের ঘিরে ধরেছে।

জানা গেছে, গত ১৬ জুন থেকে থেকে বড়লেখায় ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে উপজেলার দশটি ইউনিয়নের ২৫২টি গ্রাম প্লাবিত হয়। বন্যার পানিতে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলের মাঠ তলিয়ে যায়। এতে প্রায় লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। ঘরে টিকতে না পেরে অনেকে আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটে যান। কেউ আবার আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ রাস্তা পানিতে নিমজ্জিত থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন বানভাসি মানুষ। এরপর কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে ঢল না নামায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু চলতি মাসের ১ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আবারও অবনতি হয়। বিশেষ করে উপজেলার তালিমপুর, বর্ণি, দাসেরবাজার, সুজানগর ও বড়লেখা সদর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত নি¤œা লের মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উপজেলায় প্রথম দফায় বন্যায় ৩৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৫’শ পরিবার আশ্রয় নেয়। পানি কিছুটা কমায় চারটি আশ্রয় কেন্দ্রে ছেড়ে কয়েকটি পরিবার বাড়িতে ফিরে গেছে। বর্তমানে ২৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ৪’শ পরিবার রয়েছে। এদিকে বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি-সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। যদিও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন বন্যাদুর্গতরা।

বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে জানিয়ে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজরাতুন নাঈম বলেন, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশপাশি বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হচ্ছে। সার্বক্ষণিক বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। যে কোন রকম পরিস্থিতির মোকাবেলায সার্বক্ষণিক প্রস্তুত।

এই সম্পর্কিত আরো

মৌসুমের আগেই তরমুজের কেজি ৯০ টাকা, রমজানে ইফতারের পণ্যে নেই স্বস্তি

৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন

রমজান ও ঈদে আইএফআইসি কার্ডের স্পেশাল অফার

বাংলাদেশ-চীন স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার

ছাত্রলীগ করাই নিজ সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার

রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার ও সেহরি কেমন হবে?

জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান করল সিটি ব্যাংক

রায়গঞ্জে সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৫

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে সিইও নিয়োগ

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর