শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
এইচএসসিতে ১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন কার্যক্রম শুরু রোববার : শ্রমমন্ত্রী ১০ বিষয়ে ফেল, ফল জালিয়াতি করে পাস! - শিক্ষার্থীসহ শিক্ষা বোর্ডের ৩ কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা, প্রোগ্রামারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত,আহত ৩ নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ ২ জীবদ্দশায় স্বদেশে ফেরার আকুতি ব্যর্থ - মৃত্যুর পর মর্গে বন্দি ভারতীয় দুই নাগরিকের মরদেহ এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ - কোন বোর্ডে পাসের হার কত দেশের বাজারে কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
advertisement
সারাদেশ

কুতুবদিয়া বাতিঘর

মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: ‘কুতুবদিয়া দ্বীপ’ বিখ্যাত বাতিঘরের কারণে এ প্রবাদটি ছোটবেলায় বিভিন্ন পাঠ্য পুস্তকে লেখা ছিল। ইদানিং তেমনটি আর লেখা হয় না। কারণ বাতিঘরটি আর কুতুবদিয়াতে নেই। আছে বাতিঘরটির ভগ্নস্তূপ এলাকা নিয়ে গঠিত বাতিঘরপাড়া। কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।

চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ার দক্ষিণধুরং ইউনিয়নের আলী ফকির ডেইল নামক স্থানে আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।

১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল। কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল। সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো। ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো। শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে। বাতিঘরের সাথে কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য একটি রেস্ট হাউস ও দু’টি আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়।

১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়। নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় মেয়াদোত্তীর্ণ এসব স্থাপনা জরাজীর্ণ অবস্থায় কালের নীরব সাক্ষী হিসেবে এখনো সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়ায় অযত্ন, অবহেলা অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে।

কুতুব আউলিয়ার উত্তরসূরি হযরত শাহ আবদুল মালেক আল কুতুবী (রাঃ) এর মাজার শরীফের অসংখ্য ভক্ত প্রায় প্রতিদিন কুতুবদিয়া সফর করে থাকেন। কুতুবদিয়া সফরের প্রাক্কালে ঐতিহাসিক বাতিঘরের অস্তিত্ব সন্ধানের জন্য পর্যটকদের ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ