রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন বিদিশা, মুক্তিতে বাধা নেই প্রথমবার মতো জাপানের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন - স্বাস্থ্য খাতের শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার চোখে আঘাতের চিকিৎসার নিতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতাল বন্ধ ফোবানা সম্মেলন: ২৯ বছরের ব্যবধানে প্রধান অতিথি বিএনপির দুই নেতা নোয়াখালীতে পুলিশ দেখে দৌড়ে পালানোর সময় আসামির মৃত্যু ভারত থেকে কারাভোগ শেষে বেনাপোলে ফিরলেন ৯ বাংলাদেশি পেঁয়াজ সংরক্ষণে নতুন প্রযুক্তি আনছে বাকৃবি, বাঁচবে বৈদেশিক মুদ্রা, কমবে আমদানিনির্ভরতা
advertisement
সারাদেশ

নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুতের নষ্ট মিটার থেকে সৃষ্ট শর্ট সার্কিটের আগুনে এক কৃষকের বসতঘর, গোয়ালঘর ও চারটি গরু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি সোহরাব কবিরাজ এ ঘটনার জন্য পল্লী বিদ্যুতের অবহেলাকে দায়ী করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোহরাব কবিরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহরাব কবিরাজ বলেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল আসতে থাকে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে চার মাসে চারবার লিখিত অভিযোগ করেন। তবে মিটার পরিবর্তনের পরিবর্তে তাকে প্রতি মাসে আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাল্পনিক বিল পরিশোধ করতে বলা হয় এবং পরে মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও কর্তৃপক্ষ মিটার পরিবর্তন করেনি। মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নষ্ট মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার চারটি গরু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সাইকেলসহ দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণেই এ ক্ষতি হয়েছে। আমি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আরব আলী শেখ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে কৃষকের অভিযোগের কোনো কপি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রুবেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ