বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চ ভাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ছেলেকে বেঁধে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ - অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে দিনে ভাংচুর, রাতে আগুন পাসপোর্ট হারালে বা নষ্ট হলে নতুন নিয়ম - দ্বিতীয়বার থেকে দিতে হবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা জেএমআই সিরিঞ্জসের শেয়ার অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন নভেম্বরে প্রকাশ পেতে পারে এইচএসসির ফলাফল জ্বালানি তেল কিনতে ৬ মাসে অতিরিক্ত খরচ ২৩ হাজার কোটি টাকা শিবপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধন পুনরুজ্জীবিত হবে: মঈন খান মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩
advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন

হত্যা করে ফেলল মেঘনা নদীতে, জেলের রক্তাক্ত মরদেহ মিলল সন্দ্বীপে

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সুবর্ণচরের এক জেলের অর্ধগলিত রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সন্দ্বীপের উড়িরচর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। নিহত মো.রিপন (৫২) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের চরমাকছুমুল গ্রামের মৃত মো.হাবিব উল্ল্যার ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্রগ্রামের সন্দ্বীপের উড়িরচর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনা নদী সংলগ্ন কামাল মিয়ার পুকুর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গত মঙ্গলবার ২৮ মে রাতে উপজেলার চরমাকছুমুল গ্রামের মেঘনা নদী সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে নিজ বাড়ি থেকে রিপন ও তার ভগ্নিপতি জামাল পৃথক সময়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর ২৯ মে দুপুর ২টার দিকে নিহত রিপনের বোনের স্বামী মো.জামাল উদ্দিন (৩৭) বাড়িতে ফিরে আসে। বাড়িতে ফেরার পর তার স্ত্রী স্বামীর লুঙ্গিতে রক্ত লেগে থাকতে দেখে। এরপর জামাল ভোর বেলায় চট্টগ্রাম যাচ্ছে বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে এখনো ফিরে আসেনি।

ধারণা করা হচ্ছে, উপজেলার মাকছুমুল গ্রামের মেঘনা নদীর পাড়ে জামাল উদ্দিন তার সবজি প্রজেক্টের পাশে দা দিয়ে কুপিয়ে রিপনকে হত্যা করে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়।

নিহতের ছেলে আরমান হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত কিছু দিন আগে আমার ফুফা জামাল উদ্দিন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরাসহ একটি মাছ ধরার ফিশিংবোট চুরি করে নিয়ে আসে। পরে বোটটি আমার বাবা স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় বোটটি মালিকের কেছে ফিরিয়ে দেয়। গত উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে এলাকায় আমার ফুফা কয়েটি চুরির ঘটনা ঘটায়। বিষয়টি আমার বাবা স্থানীয়দের জানালে তারা তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর ফুফা দুদিন জেল খেটে বেরিয়ে এসে আমার বাবাকে তার সহযোগী একই এলাকার দিদার, রবি, সোহাগ ও নিজামের সহযোগিতায় কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়। বর্তমানে আমার ফুফা পলাতক রয়েছে।

উড়িরচর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সায়েম মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, মরদেহের মাথা, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা জখমের চিহৃ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জোয়ারের পানিতে মরদেহটি উড়িরচর এলাকার কামাল মিয়ার পুকুরে ঢুকে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ