কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।
রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে। সেই পরিপত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারাদেশে। সকল বাহিনী প্রধানদেরকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরইমধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সকল হেডকোয়ার্টার অবগত।
তিনি আরও বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি। এক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।
কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোন ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।
কক্সবাজারের স্পর্শকাতর ভৌগোলিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পুরোপুরি সিল করে দিতে হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী অবৈধ পথে যাতায়াত করে অপরাধ সংঘটিত করার সুযোগ না পায়। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
আরও পড়ুন:
সচিবালয় ও যমুনাসহ আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
১৮ হাজার শিক্ষিত যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্পে: উপদেষ্টা আসিফ


