বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ ঈদে টানা ৭ দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক ৫ লিটার তেল নিতে পারবেন এনআরবিসি আল-আমিন ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর ডিজিটাল দানবক্স সেবা চালু খারে পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ
আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জনসহ সবাই খালাস

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : পাবনার ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২৫ আসামিকেও খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম ও বিচারপতি হামিদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষ হয়

হাইকোর্ট তার পর্যাবেক্ষণে বলেন, ৩ দশক আগে পাবনার ঈশ্বরদীর রেলস্টেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলাটি ছিল বিদ্বেষমূলক মামলা, তিলকে তাল করা হয়েছে। বিচারিক আদালতের রায় ছিল অমানবিক।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হয়।

আলোচিত এ মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই ৯ জনকে ফাঁসি ও ২৫ জনকে যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড দেন পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আসামিদের সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। এরইমধ্যে এ মামলার পাঁচ আসামি মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনযোগে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। পথে সভা করার কথা থাকলেও বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুসহ তার নেতৃত্বে মামলার অন্যান্য আসামিরা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঈশ্বরদী স্টেশন এলাকায় ট্রেনে গুলি ও বোমা বর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই একটি মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এদের মধ্যে পাঁচজন মারা গেলে তাদের চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে ৩ জুলাই জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। সেই সঙ্গে ২৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ বছর মেয়াদ কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়।

পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি খালাস চেয়ে আপিল করেন আসামিরা।

এই সম্পর্কিত আরো

৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী

ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ

ঈদে টানা ৭ দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ

রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

ঈদের ছুটির মধ্যে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক ৫ লিটার তেল নিতে পারবেন

এনআরবিসি আল-আমিন ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর ডিজিটাল দানবক্স সেবা চালু

খারে পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ