বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
নগরবাসীকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্য বিভাগ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস নামাজ পড়ে ফেরা হলো না চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মেহরাজের ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৭০২ জন ভাঙা হারমোনিয়ামের ভেতর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ৭ নভেম্বর ঢাকায় গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এলপিজি ব্যবসায়ীদের দু'দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী
advertisement
জাতীয়

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতি ১৪৪২১ কোটি টাকা: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি)

রোববার (৬ অক্টোবর) ধানমণ্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা জিডিপির দশমিক ২৬ শতাংশ।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ১৬৯ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে কৃষি ও বন খাতে। এ ছাড়া অবকাঠামো খাতে ৪ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা এবং ঘরবাড়িতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন, জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে নোয়াখালীতে। সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। এরপর কুমিল্লায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, নোয়াখালীতে ১৬ লাখ ৪৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতির পরিমাণ ৪ হাজার ১৯২ কোটি টাকা হলেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অথচ সিলেটে সাড়ে ৯ হাজার মানুষ বন্যা আক্রান্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতির পরিমাণ ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলেও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ফেনীতে সর্বোচ্চ ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, কুমিল্লায় ১৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, হবিগঞ্জে ১৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা, মৌলভীবাজারে ১৩ কোটি টাকা এবং চট্টগ্রামে ১১ কোটি ৮০ লাখ টাকার ত্রাণ গেছে।

এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাত থেকে টানা ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ৬০টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

আরও পড়ুন:

শেরপুরে বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম, ৭ জনের মৃত্যু

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ