বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
ঝিনাইদহে অর্ধশত সরকারি দপ্তরে দুই হাজার পদ শূন্য: - জনবল সংকটে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস গ্রাহকের টাকা আত্মসাত: - ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদন্ড মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার ওয়ার্নার তেহরানের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থানায় ঢুকে ওসির চেয়ারে বসে পড়লেন এমপি, ভিডিও ভাইরাল ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত ত্রিশালে জমির নিয়ে বিরোধে যুবককে হত্যা: - একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা বেনাপোল স্থলবন্দরের ক্রেনের তার ছিড়ে শ্রমিক নিহত, আহত ১
আন্তর্জাতিক

তিস্তায় আরও দুই খাল খনন করবে পশ্চিমবঙ্গ, বিপর্যয়ের শঙ্কা বাংলাদেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতায় আরও দুটি খাল খননে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ বিভাগ। এই পদক্ষেপ ভারতের জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় আরো বেশি কৃষি জমিকে সেচের আওতায় আনতে সাহায্য করলেও বাংলাদেশের জন্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার (৪ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের এই উদ্যোগ জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলার আরও কৃষিজমিকে সেচের আওতায় আনতে সহায়তা করবে। কিন্তু, এতে বাংলাদেশের বিপর্যয় বাড়তে পারে। আর পানি সংকট নিরসনে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২০ বছর পর তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতায় নতুন খাল খননের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, তাতে ঢাকার দুশ্চিন্তা আরও বাড়বে। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে নয়াদিল্লি ও ঢাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।

একজন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক উল্লেখ করেছেন, তিস্তা প্রকল্পের পরিধি বাড়িয়ে মমতা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন এই নদী থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরঞ্চলের পানি প্রয়োজন।

এর আগে, জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের উপস্থিতিতে গত শুক্রবার প্রায় এক হাজার একর জমি অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছে। এই জমি তিস্তার বাম তীরে দুটি খাল তৈরি করতে প্রশাসনকে সহায়তা করবে। এছাড়াও জলপাইগুড়ি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আরেকটি নদী জলঢাকা থেকে পানি সেচের জন্য খালের দিকে প্রবাহিত করা হবে। পরিকল্পনা অনুসারে, তিস্তা এবং জলঢাকা থেকে পানি তোলার জন্য কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন করা হবে। তিস্তার বাম তীরে আরো একটি খাল নির্মিত হবে, যার দৈর্ঘ্য হবে ১৫ কিলোমিটার। খালগুলো খনন করা হলে সেখানকার প্রায় এক লাখ কৃষক সেচের সুবিধা পাবেন। ব্যারেজটি জলপাইগুড়ি জেলার গাজলডোবায় অবস্থিত।

১৯৭৫ সালে ভারতের উত্তরাঞ্চলের ৯ দশমিক ২২ লাখ হেক্টর কৃষি জমিতে সেচ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল তিস্তা থেকে নদীর দুই তীরের খালের মাধ্যমে পানি পাঠানোর। পথে খালগুলো সেই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্যান্য নদী থেকেও পানি পাবে। যদিও প্রকল্পটি কয়েক দশক ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পানি এখন মাত্র ১ দশমিক ০৪ লাখ হেক্টর জমিতে পৌঁছেছে।

এই সম্পর্কিত আরো

ঝিনাইদহে অর্ধশত সরকারি দপ্তরে দুই হাজার পদ শূন্য: জনবল সংকটে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

গ্রাহকের টাকা আত্মসাত: ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদন্ড

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার ওয়ার্নার

তেহরানের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

থানায় ঢুকে ওসির চেয়ারে বসে পড়লেন এমপি, ভিডিও ভাইরাল

ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ত্রিশালে জমির নিয়ে বিরোধে যুবককে হত্যা: একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন

এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

বেনাপোল স্থলবন্দরের ক্রেনের তার ছিড়ে শ্রমিক নিহত, আহত ১